kalerkantho


পুকুরে মিলল কবিরাজের হাত পায়ের ৮ টুকরা

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি   

২৩ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



কেরানীগঞ্জের বেউতায় একটি মাগুর মাছের খামারের পানি সেচে কথিত কবিরাজ মফিজের দেহের আরো আট টুকরা উদ্ধার করা হয়েছে। তিন দিন ধরে পানি মোটরের সাহায্যে সেচা হয়েছে।

ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মো. শাহজামান জানান, ২ জানুয়ারি মাছের খামার এলাকা থেকে হাত, পা ও মাথাবিহীন দেহ এবং ১৭ জানুয়ারি নিলতলী সেতুর নিচ থেকে শুধু মাথা উদ্ধার করা হয়। মামলাটি প্রথমে থানা পুলিশ তদন্ত করে। পরে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের হাতে আসে। পরিদর্শক মো. নাজমুল হোসেন তদন্তের দায়িত্ব পান। বিভিন্ন তথ্যের মাধ্যমে সন্দেহজনকভাবে বেউতার মালয়েশিয়াপ্রবাসী আলামিনের স্ত্রী মাকসুদা আক্তার লাকিকে গ্রেপ্তার করেন তিনি। তাঁকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরে তাঁর স্বীকারোক্তি মোতাবেক এ হত্যার রহস্য জানতে পারেন। হত্যার কাজে তাঁর আরো দুই সহযোগীকেও গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক জানতে পারেন, মফিজকে শ্বাসরোধে হত্যার পর ১০ টুকরা করে বিভিন্ন স্থানে ফেলা হয়েছে।

গত তিন দিনে উদ্ধার হওয়া হাত-পায়ের অংশগুলোর সুরতহাল প্রতিবেদন করে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত মো. মফিজুর রহমান মফিজ ঢাকার সাভার থানার কাউচরের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মৃত মতিউর রহমান। পেশায় একজন স্বর্ণকার এবং পাশাপাশি কবিরাজি করতেন।

উল্লেখ্য, মাকসুদা আক্তার লাকি সন্তান হওয়ার জন্য মফিজের কাছে চিকিৎসা নিতে গিয়ে লালসার শিকার হন। পরে তিনি কবিরাজের হাত থেকে রেহাই পেতে তাঁর দুই দেবরকে সঙ্গে নিয়ে হত্যা করে লাশ গুম করার উদ্দেশে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেন।


মন্তব্য