kalerkantho


ভাঙ্গায় নকলে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে পেটাল ছাত্রের বাবা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর   

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষায় সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রকে নকলে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে পিটিয়ে আহত করেছে ওই ছাত্রের বাবা শহীদুল মুন্সী। এ ঘটনায় মামলা হলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। গতকাল বৃহস্পতিবার তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। শহীদুল মুন্সী ভাঙ্গা পৌর সদরের নূরপুর গ্রামের মৃত হালিম মিয়ার ছেলে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা জানায়, গত বুধবার বিকেলে বিদ্যালয়ের ৩০৩ নম্বর কক্ষে সপ্তম শ্রেণির ‘ক’ শাখার গণিত বিষয়ের পরীক্ষা চলছিল। ওই কক্ষে আবীর নামের এক শিক্ষার্থী নকল করছিল। হলের দায়িত্বরত সহকারী শিক্ষক সরোয়ার ফকির তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন এবং তার খাতা নিয়ে যান। খবর পেয়ে ছাত্রের বাবা সদরের নূরপুরের বাসিন্দা শহীদুল মুন্সী কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ের ওই কক্ষে আসেন। একপর্যায়ে তারা শিক্ষককে পিটিয়ে আহত করে চলে যায়। বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষকরা আহত শিক্ষককে উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আহত শিক্ষক সরোয়ার ফকির বলেন, ‘শিক্ষার্থীকে নকলে বাধা দেওয়ায় তার বাবা শহীদুল মুন্সী ও তার লোকজন আমাকে পিটিয়ে আহত করেছে। আমি মামলা করেছি। এ ঘটনার উপযুক্ত বিচার চাই।’ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হায়দার হোসেন বলেন, ‘শিক্ষক লাঞ্ছিতের মতো ন্যক্কারজনক ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের অবশ্যই উপযুক্ত বিচার হওয়া উচিত।’ ভাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিরাজ হোসেন জানান, মামলার পর রাতেই পুলিশ শহীদুল মুন্সীকে গ্রেপ্তার করেছে। গতকাল দুপুরে আদালতের নির্দেশে তাকে ফরিদপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

 


মন্তব্য