kalerkantho


জোড় ইজতেমায় ইবাদতে মশগুল মুসল্লিরা

টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি   

১৮ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



ছয় উছুলের হাকিকতের আলোকে ঈমান, আমল ও আখলাকের খাসবয়ানের মধ্য দিয়ে গতকাল শুক্রবার টঙ্গীতে পাঁচ দিনের জোড় ইজতেমা শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে তুরাগতীরে দেশ-বিদেশের কয়েক লাখ ধর্মপ্রাণ মুসল্লি সমবেত হয়েছেন। তাঁরা ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে সময় কাটাচ্ছেন। গতকাল বাদ ফজর মাওলানা রবিউল ইসলাম সূচনা বয়ান করেন। দুপুরে ইজতেমা ময়দানে বড় পরিসরে জুমার জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে যোগ দিতে সকাল থেকে টঙ্গী, গাজীপুর ছাড়াও বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসল্লিরা আসেন দলে দলে। জুমায় ইমামতি করেন মাওলানা ওমর ফারুক। জোড় ইজতেমায় ২০টি দেশের প্রায় দেড় হাজার বিদেশি মেহমান অংশ নিয়েছেন। আগত মুসল্লিদের সার্বিক আয়োজন ও নিরাপত্তার বিষয়ে প্রশাসন বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ইজতেমা ময়দানে ও এর আশপাশে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা নজরদারিতে রয়েছেন। মুসল্লিদের সেবাদানে গাজীপুর সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসন বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।

আগামী মঙ্গলবার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে জোড় ইজতেমা শেষ হবে। জোড় শেষ হলে আসন্ন বিশ্ব ইজতেমার প্রস্তুতি কাজ শুরু হবে। জোড় ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের একটি বড় অংশ ইজতেমা ময়দানে থেকে যাবে। তারা বিশ্ব ইজতেমায় সার্বিক প্রস্তুতিতে অংশ নেবে।

বিশ্ব ইজতেমার সার্বিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক জিম্মাদার প্রকৌশলী গিয়াস উদ্দিন জানান, জোড় ইজতেমায় খাসবয়ানের পাশাপাশি আগামী বিশ্ব ইজতেমার প্রস্তুতি নিয়েও দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। তাবলিগ জামাতের শীর্ষস্থানীয় মুরব্বিরা জোড় ইজতেমায় বাদ ফজর থেকে বাদ মাগরিব পর্যন্ত বয়ান পেশ করবেন। আগামী ১২ জানুয়ারি বিশ্ব ইজতেমা প্রথম পর্ব এবং ১৯ জানুয়ারি দ্বিতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে তুরাগতীরে বিশ্ব ইজতেমার বিশাল প্যান্ডেলের প্রাথমিক কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট কাজ স্বেচ্ছাশ্রমে জামাতের মুসল্লিরা আগামী দেড় মাসের মধ্যে শেষ করবেন।


মন্তব্য