kalerkantho


বেনাপোল বন্দরে আগুন

মন্ত্রণালয়ের তদন্তে দাহ্য পদার্থ দায়ী

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



যশোরের বেনাপোল বন্দরে অগ্নিকাণ্ডের ১০ মাস পর তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মন্ত্রণালয় গঠিত কমিটি। প্রতিবেদনে বন্দরের সাধারণ গুদামে রাখা দাহ্য পদার্থ থেকে আগুন লেগেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার সকালে বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক রেজাউল করিম বলেন, ‘নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এম সাফায়েত হোসেনের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি অনুসন্ধান শেষে প্রতিবেদন দাখিল করেছে। ’

উল্লেখ্য, গত বছরের ২ অক্টোবর বেনাপোল বন্দরের ২৩ নম্বর পণ্যাগারে এক ভয়াবহ আগুনে ১৩৭ জন আমদানিকারকের  ৫০০ কোটি টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এর আগে ২০০১ সালে ২৬ নম্বর পণ্যাগারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতি হয় ৬০০ কোটি টাকা। ১৯৯৬ সালে ১০ নম্বরসহ ১০টি পণ্যাগারে আগুনে পুড়ে ক্ষতি হয় ৩০০ কোটি টাকার পণ্য।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বন্দর থেকে পণ্য চুরি, বহিরাগতদের অবাধ যাতায়াত ও  অব্যবস্থাপনা দায়ী। এ ছাড়া ব্যবসায়ীরা বন্দরে পণ্য চুরি রোধে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি জানালেও আজ পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি। বন্দরের শেড ইনচার্জরা অনিয়ম করে সাধারণ পণ্যের সঙ্গে রাসায়নিক ও দাহ্য পদার্থ নামাচ্ছেন।

বন্দরের ৩১ নম্বর শেডের ইনচার্জ তত্ত্বাবধায়ক মনির হোসেন বলেন, ‘পোস্টিং শাখা থেকে যদি সাধারণ পণ্যাগারে রাসায়নিক ও দাহ্য জাতীয় মালামাল নামানোর অনুমতি দেয়, তাহলে আমাদের কিছু করার থাকে না। জায়গা সংকটের কারণে একই গুদামে বিভিন্ন প্রকার মালামাল ঠাসাঠাসি করে রাখা হয়।

এ বিষয়ে বেনাপোল বন্দরের পরিচালক আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘বন্দরে ১০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্পে উন্নয়নকাজ হচ্ছে। সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো ও অনলাইনের কাজ চলছে। আগামী বছর থেকে এসব চালু হবে বলে আশা রাখি। ’


মন্তব্য