kalerkantho


রাঙ্গাবালীতে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি   

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা পরিষদে অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে তিন পদে অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ কার্যক্রম চূড়ান্ত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে গত বুধবার পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক বরাবর একাধিক পদের প্রতিদ্বন্দ্বী ছয় প্রার্থী লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।

এ ছাড়া দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ বিভিন্ন দপ্তরেও অভিযোগ জানিয়েছেন তাঁরা।

অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে, ২০১৬ সালের ১৭ অক্টোবর রাঙ্গাবালী উপজেলা পরিষদে সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদে একজন, গাড়িচালক একজন ও অফিস সহায়ক পদে দুজন নিয়োগের জন্য জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এ বছরের ১১ সেপ্টেম্বর আবেদনকারীদের লিখিত, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

গত বুধবার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে যোগসাজশে মোটা অঙ্কের ঘুষ লেনদেন করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম লিখিত, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষায় অযোগ্য প্রার্থীদের উত্তীর্ণ দেখিয়ে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেন।

ওই চূড়ান্ত তালিকায় সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার পদে আল আমিন, গাড়িচালক পদে সেরাজুল তালুকদার, অফিস সহায়ক পদে মেহেদী হাসান ও ফেরদাউসের নাম প্রকাশ করা হয়।

অভিযোগ পাওয়া গেছে, সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদে উত্তীর্ণ আল আমিনের শর্টহ্যান্ড সার্টিফিকেট জাল। গাড়িচালক পদে উত্তীর্ণ সেরাজুল তালুকদার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত। এ ছাড়া আবেদনকারীর বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হলেও অফিস সহায়ক পদে বাছাই করা ফেরদাউসের বয়স জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী ৩০ বছরের বেশি।

সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার পদের প্রার্থী তরিকুল ইসলাম, জেবিন বেগম, মিঠু দাস, মো. রিয়াজ ও মো. সাইদুল এবং অফিস সহায়ক পদে দীন মোহাম্মদ যৌথভাবে নিয়োগে অনিয়ম হয়েছে উল্লেখ করে লিখিত অভিযোগ করেন।

উপজেলা চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেন ওই অভিযোগকে ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে বলেন, যাঁরা লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় ভালো করছেন তাঁদেরই নেওয়া হয়েছে। যথাযথভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। ’


মন্তব্য