kalerkantho


ময়মনসিংহে ব্যবসায়ীকে মারধর, দোকান ভাঙচুর পুলিশের ফাঁকা গুলি

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

১৮ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



ময়মনসিংহের গৌরীপুরে এক ব্যবসায়ীকে মারধর ও তাঁর দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার কলতাপাড়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে এ সময় পুলিশ পাঁচ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

হামলার শিকার ব্যক্তি হলেন কলতাপাড়া বাজারে মাছের খাবারের ব্যবসায়ী এস এম দুলাল (৪২)।

দুলালের অভিযোগ, তাঁর স্ত্রী আফরোজা নাসরিন উপজেলার রামগোপালপুর ইউনিয়নের ডাউকি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত। তিনি সম্প্রতি কলতাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলির আবেদন করেন। জ্যেষ্ঠতার নীতিমালা অনুযায়ী তাঁর আবেদনটি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় গ্রহণ করে। একই বিদ্যালয়ে বদলির আবেদন করেন আরেক শিক্ষক মহসিন মিয়া। কিন্তু নীতিমালা অনুযায়ী তাঁর আবেদন গৃহীত হয়নি। তাই মহসিনের পক্ষ হয়ে আফরোজা নাসরিনের বদলির আবেদনটি প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য দুলালকে চাপ দেন কলতাপাড়ার যুবলীগ নামধারী নেতা তোফাজ্জল হোসেন মানিক। দুলাল জানান, প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গত ৮ মার্চ তাঁকে মারধর করে মানিক ও তাঁর লোকজন।

দুলালের স্ত্রী আফরোজা অভিযোগ করেন, এলাকার লোকজন হামলাকারীদের প্রতিরোধ করতে এগিয়ে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পাঁচ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

গৌরীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. বদিয়ার রহমান বলেন, পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

গৌরীপুর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. সানাউল হক মোবাইল ফোনে কালের কণ্ঠকে বলেন, মানিক যুবলীগের কেউ নন। যুবলীগের মতো সংগঠনে এসব সন্ত্রাসী ও পরগাছার ঠাঁই নেই।

তোফাজ্জল হোসেন মানিক বলেন, তাঁর ছোট ভাই রিফাত হোসেন রানাকে মারধরের পর কুপিয়ে জখম করে দুলাল ও তাঁর সহযোগীরা। কী কারণে কোপানো হয়েছে জানতে চাইলে মানিক বলেন, ‘এ বিষয়ে দুলালকে জিগান। আমি কিছুই জানি না। ’


মন্তব্য