kalerkantho


মহেশখালীতে র‌্যাবের অভিযান

১২ বন্দুক, গুলিসহ দুই অস্ত্র ব্যবসায়ী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার   

৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



কক্সবাজারের মহেশখালীর কেরুনতলীর দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে দেশি-বিদেশি ১২টি বন্দুক ও ৮৫ রাউন্ড গুলিসহ দুই অস্ত্র ব্যবসায়ী আটক করেছেন র‌্যাব ৭-এর সদস্যরা। উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে দুটি বিদেশি ওয়ান শ্যুটার বন্দুক ও একটি রাইফেল রয়েছে।

শনিবার রাত থেকে রবিবার সকাল ৭টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে র‌্যাব সদস্যরা এসব উদ্ধার করেন। আটক সন্ত্রাসীরা হলো জামায়াত সমর্থিত সন্ত্রাসী দল ‘এনাম বাহিনী’র সদস্য মোহাম্মদ সেলিম ও মোহাম্মদ এরশাদ। সেলিমের বিরুদ্ধে তিনটি হত্যাসহ ১২টি এবং এরশাদুল্লাহর বিরুদ্ধে ছয়টি মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।

র‌্যাব-৭ কক্সবাজারের কম্পানি কমান্ডার মেজর রুহুল আমিন জানান, মহেশখালীর গহিন পাহাড়ে দীর্ঘদিন ধরে কয়েকটি বাহিনীর সংঘবদ্ধ চক্র অস্ত্র মজুদ করে তা রোহিঙ্গাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার সন্ত্রাসীদের কাছে বিক্রি করছিল। অস্ত্র মজুদের তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি দল হোয়ানক ইউনিয়নের কেরুনতলীর দুর্গম পাহাড়কে ঘিরে অভিযান চালায়। পরে সেখান থেকে দেশি-বিদেশি বন্দুক ও গুলিসহ দুই সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়।  

উল্লেখ্য, গত ৪ জানুয়ারি মহেশখালীর আরেক পাহাড়ি এলাকায় অস্ত্রের কারখানায় অভিযান চালিয়ে ২২টি দেশীয় অস্ত্র, ২২টি গুলি ও ৩৩টি অস্ত্র তৈরির সরঞ্জামসহ দুই কারিগরকে আটক করেছিলেন র‌্যাব ৭-এর সদস্যরা।

কুতুবদিয়া দ্বীপে হামলা, আহত ২০

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে বিরোধপূর্ণ লবণ মাঠ নিয়ে সন্ত্রাসী হামলায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন গুলিবিদ্ধ।

গুলিবিদ্ধ ছয়জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা সবাই লবণ চাষি।

কুতুবদিয়া থানার ওসি অংছা থোয়াই কালের কণ্ঠকে জানান, দ্বীপের বড়ঘোপ ইউনিয়নের আজম কলোনি এলাকার একখণ্ড লবণ মাঠ নিয়ে দুই পক্ষে বিরোধ চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। লবণ মাঠের বিরোধ নিয়ে একপক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন দ্বীপের বড়ঘোপ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ ইকবাল, আর অন্য পক্ষে শ্রমিক লীগ নেতা মনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী মুকুল।

এলাকার লোকজন জানায়, মোহাম্মদ ইকবালের নেতৃত্বে গতকাল লবণ চাষিরা মাঠে কাজ করতে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন গিয়ে তাদের মাঠ ছেড়ে যেতে বলে। কিন্তু চাষিরা মাঠ না ছাড়ায় হামলা চালানো হয়। হামলায় দেশি বন্দুকসহ বিভিন্ন অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

হামলায় আহতদের কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. জয়নাল আবেদীন জানিয়েছেন, আহত ২০ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুলিবিদ্ধ ১১ জনের মধ্যে ছয়জনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।


মন্তব্য