kalerkantho


ভোট উৎসব

সংঘর্ষ, কেন্দ্র দখল

ছোটন কান্তি নাথ, চকরিয়া (কক্সবাজার)   

২১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



সংঘর্ষ, কেন্দ্র দখল

চকরিয়ার করাইঘোনা মাদ্রাসা কেন্দ্রে নারীদের এভাবেই স্বতঃস্ফূর্ত ভোট দিতে দেখা যায়। ছবি : কালের কণ্ঠ

কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার নির্বাচন শেষ হয়েছে। গতকাল রবিবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে।

ভোট দিতে প্রতিটি কেন্দ্রেই ভোটারদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।

তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ১৮টি কেন্দ্রের মধ্যে কমপক্ষে ১২টিতে প্রতিদ্বন্দ্বী কাউন্সিলর প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, সংঘর্ষ ও কেন্দ্র দখল করে ব্যালট বাক্স ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিক স্ট্রাইকিং ফোর্সের নেতৃত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ওই সব কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন।

এদিকে চারটি কেন্দ্রে গোলযোগ সৃষ্টির চেষ্টা করলে কাউন্সিলর প্রার্থীর কয়েকজন সমর্থককে আটক করেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। কেন্দ্রীয় উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে নারী কাউন্সিলর প্রার্থীর এক স্বামীর কাছ থেকে কয়েকটি ব্যালট পেপার পাওয়ায় তাঁকে ২০ দিনের কারাদণ্ড দেন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট। এ ছাড়া ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মছুদুল হক মধু ও সাহাব উদ্দিনের সমর্থকরা কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে অতিরিক্ত ফোর্স গিয়ে তাদের চেষ্টা ভণ্ডুল করে দেয়। পরে দুই প্রার্থীর সমর্থকরা মুখোমুখি অবস্থান নিলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন।

এদিকে বিএনপি মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী নুরুল ইসলাম হায়দার ভোটগ্রহণ শেষে বিকেল ৪টার পর সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ করে বলেছেন, ১৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৫টি কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ নেয় সরকার দলের প্রার্থীর লোকজন। এ সময় তারা বিএনপি প্রার্থীর এজেন্টদের মারধর ও বের করে দিয়ে নগ্নভাবে ভোট ডাকাতি করেছে।

প্রশাসনের সহায়তায় নির্বাচন কমিশন একটি প্রহসনের নির্বাচন উপহার দিয়েছে চকরিয়াবাসীকে। এ সময় তিনি নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় ভোটগ্রহণের দাবি জানান। এ ব্যাপারে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মেছবাহ উদ্দিন বলেন, ‘কাউন্সিলর প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকদের মধ্যে কয়েকটি বিক্ষিপ্ত ও বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। ’


মন্তব্য