kalerkantho


বুড়িগঙ্গা নদীদূষণের অভিযোগ

কেরানীগঞ্জে ১২ কারখানা সিলগালা

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার (ঢাকা)   

১ জুলাই, ২০১৫ ০০:০০



বুড়িগঙ্গা নদীদূষণের অপরাধে ঢাকার কেরানীগঞ্জের ১২টি ওয়াশিং ও ডাইং কারখানা সিলগালা করে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। ঢাকার পরিবেশ অধিদপ্তরের সদর দপ্তরের পরিচালক (মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট) মো. আলমগীরের নেতৃত্বে মঙ্গলবার এ অভিযান পরিচালিত হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, পরিবেশগত ছাড়পত্র এবং তরল বর্জ্য পরিশোধনাগার (ইটিপি) নির্মাণ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে ওয়াশিং ও ডাইং কারখানার সৃষ্ট তরল বর্জ্য সরাসরি বুড়িগঙ্গা নদীতে ফেলে নদীর জীববৈচিত্র্যের মারাত্মক ক্ষতি করে আসছিল কয়েকটি কারখানা। এ ক্ষতির কারণে ঢাকার কেরানীগঞ্জের আগানগর, শুভাড্ডা, চুনকুটিয়া ও কালীগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত বুড়িগঙ্গা নদীদূষণকারী ১২টি ওয়াশিং ও ডাইং কারখানার বিরুদ্ধে এ এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় এনফোর্সমেন্ট দল ১২টি কারখানা পরিদর্শন করে কারখানাগুলো সিলগালা করে দেয়।

কারখানাগুলো হচ্ছে ঢাকার কেরানীগঞ্জের আগানগর, কালীগঞ্জ, চুনকুটিয়া ও শুভাড্ডা এলাকায় অবস্থিত আলিফ ওয়াশিং প্লান্ট, ডি এল ডি ওয়াশিং প্লান্ট, বিসমিল্লাহ ওয়াশিং, আনুস্কা ওয়াশিং, ইডেন ওয়াশিং, সানমুন ওয়াশিং কারখানা, মায়ের দোয়া ওয়াশিং অ্যান্ড ডাইং, মক্কা ওয়াশিং অ্যান্ড ডাইং কারখানা, মায়ের দোয়া ওয়াশিং, ডায়মন্ড ওয়াশিং, বাংলাদেশ ওয়াশিং এবং সারা-ত্বন্না ওয়াশিং।

অভিযানকালে পরিচালক (মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট) মো. আলমগীরকে সহায়তা করেন ঢাকা জেলা প্রশাসকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামীম বানু শান্তি, ঢাকার পরিবেশ অধিদপ্তরের সদর দপ্তরের সহকারী পরিচালক মুহম্মদ হাফিজুর রহমান, সহকারী পরিচালক মিসেস সাবরিন সুলতানা ও পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম।

ঢাকার পরিবেশ অধিদপ্তরের সদর দপ্তরের সহকারী পরিচালক মুহম্মদ হাফিজুর রহমান জানান, অভিযানকালে অভিযুক্ত কারখানাগুলোর মালিক ও প্রতিনিধিরা বিষয়টি টের পেয়ে কারখানা থেকে পালিয়ে যান। এর আগে এসব ওয়াশিং ও ডাইং কারখানাকে পরিবেশ অধিদপ্তরের সদর দপ্তরে শুনানিতে হাজির হওয়ার চূড়ান্ত নির্দেশ দেওয়া হলেও তারা শুনানিতে হাজির হয়নি। উল্টো বুড়িগঙ্গা নদী দূষণ করে আসছিল।

 


মন্তব্য