kalerkantho

ভাতঘুমের কয়েকটি স্বাস্থ্য সুবিধা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৫ মার্চ, ২০১৯ ১৮:২৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভাতঘুমের কয়েকটি স্বাস্থ্য সুবিধা

দিনের বেলা দুপুরের খাবার গ্রহণের পর অনেকে যে ঘুমটুকু ঘুমায় তাকে ভাতঘুম বলে। ভাতঘুম হরমোন স্তরের চাপ হ্রাস করে।

সুতরাং, শরীর ও মনের চাপ থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন দুপুরে একটু ঘুমিয়ে নেওয়া ভালো। এটি আপনাকে অনেক বিপদের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করবে। শরীর ও মনে এনে দেবে প্রশান্তি।

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। 

গবেষণায় বলা হয়েছে, সতর্কতা ও অনলস বোধ করতে দুপুরের খাবার গ্রহণের পর অর্থাৎ মধ্য বিকেলে অন্তত ১৫ মিনিট ঘুমিয়ে নেওয়া উচিত। এতে আপনার মেজাজ ভালো হবে, কাজের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং উন্নত হবে সতর্কতা ক্ষমতা।

ভাতঘুম আপনাকে বিরক্তিকর কাজ নিয়ে দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেবে। ১৫ মিনিটের হালকা ঘুমের পর আপনার মন হবে তরতাজা, আর বাড়িয়ে দেবে কাজের সক্ষমতা।

এর আগের এক গবেষণায় দেখানো হয়, যারা প্রতিদিন দিনের বেলা একটু ঘুমিয়ে নেয় তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি কমে প্রায় ৪০ শতাংশ।

সম্প্রতি নাসা পরিচালিত এক গবেষণায় দেখানো হয়, দিনের বেলা ৩০ মিনিটের ঘুম বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মকাণ্ডের উন্নতি হয় ৪০ শতাংশেরও বেশি। দিনের ভাতঘুম এবং রাতের পর্যাপ্ত ঘুম ব্যায়ামেও উৎসাহ জোগায়। কারণ ঘুম ও ব্যায়ামে কেউ কখনো ক্লান্ত ও অলস বোধ করে না।

প্রত্যেকেরই বিশ্রাম ও বিনোদন প্রয়োজন। রাতের বেলা বিশুদ্ধ ঘুম যেমন মানুষকে বেশি কল্পনাপ্রবণ করে তেমনি একই বিষয় প্রযোজ্য মধ্য বিকেলের ঘুমের ক্ষেত্রে।

রাতে ঘুমের অভাব হলে শরীর ও মনে চাপ পড়ে। ঘুমের অভাবে বিরক্তবোধ সৃষ্টি হয়, মেজাজ হয় খিটখিটে। আর পর্যাপ্ত ঘুম এসব সমস্যা নিমেষেই দূর করে।

মধ্যাহ্নভোজের পর মাত্র ১৫ থেকে ৩০ মিনিটের ঘুম হৃদযন্ত্রের কর্মকাণ্ড সঠিকভাবে পরিচালনায়, হরমোন ব্যবস্থাপনা এবং কোষ পুনরুজ্জীবিত করাসহ শরীরের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। 

সূত্র : এনডিটিভি 

 

মন্তব্য