• ই-পেপার

চা নাকি কফি- সকালের নাস্তায় কোনটি ভালো?

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরো ২ মৃত্যু, নতুন রোগী ৩০৬

অনলাইন ডেস্ক
ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরো ২ মৃত্যু, নতুন রোগী ৩০৬
সংগৃহীত ছবি

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ৩০৬ জন দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৯৫ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৬৬ জন, খুলনা বিভাগে ৩৮ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৩ জন, রংপুর বিভাগে ২৩ জন এবং বরিশাল বিভাগে ৫৮ জন। এদিন ডেঙ্গু নিয়ে সিলেট বিভাগে কোনো রোগী ভর্তি হয়নি।

চলতি বছরের ১৫ জুলাই পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯ হাজার ৬৭৬ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

চলতি বছরে এযাবৎ মোট ৮ হাজার ৭৩২ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে ৯১২ জন চিকিৎসাধীন আছে।

২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।

হামের উপসর্গে আরো ৮ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১১৭১

অনলাইন ডেস্ক
হামের উপসর্গে আরো ৮ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১১৭১
ছবি : কালের কণ্ঠ

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৭১ জন। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৮৪ শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরো ৯৫ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৭৯ শিশু মারা গেছে।

এ ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ১৯৭ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৭৪। এই সময়ে ৯৪১ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১৫ শিশু।

যদি সাপ কামড় দেয়

অনলাইন ডেস্ক
যদি সাপ কামড় দেয়

মে থেকে অক্টোবর মাসে অর্থাৎ বর্ষাকালে সাপের উপদ্রব বাড়ে। এই সময় বেশির ভাগ স্থলভাগ ডুবে যাওয়ায় সাপ নতুন বাসস্থানের সন্ধানে বাসাবাড়ির উঁচু স্থানে আশ্রয় খোঁজে। এবার বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যা হওয়ায় সাপে কাটা মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। 

সব সাপই বিষধর নয়

সাপ ভয় পায় না এমন মানুষ বিরল। সাপ কামড়ালে ভয়েই রোগী অর্ধমৃত হয়ে যায়। কিন্তু সব ক্ষেত্রেই কি বিপদের আশঙ্কা আছে? আমাদের দেশে প্রায় ১০০ প্রজাতির সাপ আছে, যার মধ্যে শুধু ছয় প্রজাতির সাপ বিষধর, বাকি ৯৪ প্রজাতির সাপে কোনো বিষ নেই। 

অর্থাৎ এই ৯৪ প্রজাতির সাপ কামড়ালে কোনো সমস্যা নেই, চিকিৎসা ছাড়াই ভালো হয়ে যায়। এই সুযোগই নিয়ে থাকে ওঝারা। ঝড়ে বক মরে, কবিরাজের কেরামতি ফলে। সাপের দংশনে ওঝার বিষ নামানোর অনেক পৌরাণিক কাহিনি সমাজে প্রচলিত আছে। ওঝাদের ব্যবসায় এসব সামাজিক অন্ধবিশ্বাস সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

গবেষকদের মতে, দেশে ১২ প্রজাতির সামুদ্রিক সাপসহ প্রায় ৮০ প্রজাতির সাপ দেখা যায়। এগুলোর মধ্যে ছয় ধরনের সাপ বিষধর। সেগুলো হলো—১. গোখরো বা কোবরা; ২. পদ্মগোখরো বা রাজগোখরো বা কিং কোবরা; ৩. শঙ্খিনী বা ব্যান্ডেড ক্রেইট, কেউটে; ৪. চন্দ্রবোড়া, রাসেলস ভাইপার; ৫. সবুজ সাপ বা গ্রিন স্নেক এবং ৬. সামুদ্রিক সাপ বা সি-স্নেক। 

ঝাড়ফুঁকে সময় নষ্ট নয়

শুধু বিষধর সাপ কামড়ালেই চিকিৎসা প্রয়োজন, সে ক্ষেত্রে ওঝার ঝাড়ফুঁক কোনোই কাজে লাগে না, বরং সময়ের অপচয় ছাড়া কিছুই নয়।

বিষধর সাপের দংশন আর চিকিৎসা শুরুর সময়ের পার্থক্য যত কম হবে চিকিৎসার সফলতার সম্ভাবনা তত বেশি। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, রোগী ওঝার পর্ব শেষ করে হাসপাতালে যখন আসে ততক্ষণে অনেক মূল্যবান সময় অপচয় হয়ে গেছে, রোগীর প্রাণ ওষ্ঠাগত। বিষধর সাপের দংশনে প্রতিবছর স্বয়ং অনেক ওঝা হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং মৃত্যুর সংখ্যাও অনেক বেশি।

যদি সাপ কামড় দেয়

হাতে বা পায়ে কামড়ালে আমরা সাধারণত আক্রান্ত অংশের ওপর রশি বা গামছা দিয়ে টাইট করে বেঁধে রাখি। এটি একেবারেই ভুল প্রাথমিক চিকিৎসা।

আলতোভাবে বাঁধা যেতে পারে বা ১০ মিনিট পর পর কয়েক মিনিটের জন্য বাঁধন খুলে দেওয়া যেতে পারে। সবচেয়ে ভালো ব্যবস্থা হলো আক্রান্ত হাতের বা পায়ের দুই পাশে বাঁশের বা কাঠের ফালি দিয়ে তার ওপর আলতো করে বাঁধা যেন নড়াচড়া কম হয়। একটানা শক্ত করে বেঁধে রাখলে দীর্ঘক্ষণ রক্ত চলাচল বন্ধ থাকায় পচন ধরতে পারে, চিরতরে হারাতে হতে পারে হাত বা পা। যেকোনো সাপে কাটা রোগীকে হাসপাতালে নিতে হবে, কারণ সাপটি বিষধর ছিল কি না কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারবে না। রোগীকে পর্যবেক্ষণে রাখতে হয়। ডাক্তার যদি বিষক্রিয়ার কোনো লক্ষণ লক্ষ করেন তাহলে অ্যান্টিভেনাম ইনজেকশন প্রয়োগ করে থাকেন।

পরামর্শ দিয়েছেন

ডা. ইকবাল আহমেদ

সহকারী অধ্যাপক

প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগ

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক

সার্জারি ইনস্টিটিউট
 

টাইফয়েড প্রতিরোধে সরকারি টিকা, কারা পাবেন জানুন বিস্তারিত

অনলাইন ডেস্ক
টাইফয়েড প্রতিরোধে সরকারি টিকা, কারা পাবেন জানুন বিস্তারিত
সংগৃহীত ছবি

টাইফয়েড প্রতিরোধে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। জাতীয় নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) অংশ হিসেবে আগামী ১ আগস্ট থেকে সারা দেশে ১৫ মাস বয়সী শিশুদের এক ডোজ টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি) দেওয়া হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুদের টাইফয়েড জ্বরের বিরুদ্ধে দীর্ঘস্থায়ী সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) শাখা থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় এই তথ্য জানানো হয়েছে।  

নির্দেশনা অনুযায়ী, ইপিআইয়ের স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রের মাধ্যমে ১৫ মাস বয়সী সব শিশুকে এক ডোজ টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। একই সেশনে এমআর-২ টিকার সঙ্গে এ টিকা একযোগে প্রয়োগ করা যাবে।

টিকা ব্যবস্থাপনায় ৫ ডোজের ভায়াল ব্যবহার করা হবে। ভ্যাকসিন ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সংরক্ষণ ও পরিবহন করতে হবে। মাল্টিডোজ ভায়াল নীতিমালা অনুসরণ করে নির্ধারিত শর্তে খোলা ভায়াল পরবর্তী সেশনেও ব্যবহার করা যাবে, যাতে টিকার অপচয় কমানো সম্ভব হয়।

এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে মাঠকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে লক্ষ্যমাত্রাভুক্ত শিশু শনাক্ত, টিকার চাহিদা নির্ধারণ এবং নির্ধারিত সেশনে টিকাদান নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ইপিআই অ্যাপে শিশুর নিবন্ধন, টিকা কার্ড ডাউনলোড এবং টিকা দেওয়ার পর স্মার্ট হেলথ বিডি-ই-ট্র্যাকার অ্যাপে তথ্য হালনাগাদের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ইমাম, ধর্মীয় ও কমিউনিটি নেতাদের সম্পৃক্ত করে বাড়ি বাড়ি যোগাযোগ, মাইকিং, উঠান বৈঠক এবং আন্তঃব্যক্তিক যোগাযোগ কার্যক্রম জোরদারের মাধ্যমে অভিভাবকদের মধ্যে টাইফয়েড টিকা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।  

চা নাকি কফি- সকালের নাস্তায় কোনটি ভালো? | কালের কণ্ঠ