kalerkantho


ফিটনেস : শিশুদের জন্য ব্যায়াম

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ মার্চ, ২০১৭ ১২:৫৭



ফিটনেস : শিশুদের জন্য ব্যায়াম

ব্যায়াম বা এক্সারসাইজের কথা উঠলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে একদল তরুণের দৌড়াদৌড়ি, জিমে ঘাম ঝরানো বা বয়স্কদের রাস্তা, মাঠ বা পার্কে হাঁটাহাঁটি বা খালি হাতে ব্যায়ামের কথা। কিন্তু এই তরুণ ও বয়স্কদের পাশাপাশি শিশুদেরও ব্যায়ামের প্রয়োজন, সেটা আমরা মোটেও মনে রাখি না।

অথচ সুস্থ শরীরের জন্য সুষম খাবারের পাশাপাশি তাদেরও ব্যায়ামের প্রয়োজন। তবে সব শিশুর জন্য কিন্তু সমান ব্যায়াম নয়। শিশু কী ধরনের ব্যায়াম করবে তা বয়স ও শিশুর ইচ্ছার ওপরই অনেকটা নির্ভর করে। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, দুই থেকে ১৯ বছরের বাচ্চা এবং কিশোররা মোটেও প্রয়োজনীয় ব্যায়াম করছে না। তাদের বেশির ভাগই বসে বসে করতে হয় এমন কাজে দৈনিক সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা সময় ব্যয় করছে। এর মধ্যে গড়ে তিন ঘণ্টা ব্যয় হচ্ছে টেলিভিশন সেটের সামনে। এতে তারা শরীরের স্বাভাবিক আকার হারাচ্ছে। হয়ে যাচ্ছে বয়সের তুলনায় ভারী শরীরের অধিকারী। এবারের আয়োজনে আমরা বিভিন্ন বয়সী শিশুদের ব্যায়াম নিয়ে আলোচনা করব। আজ দু-তিন বছরের শিশুদের ব্যায়াম সম্পর্কে জানব। আগামী সংখ্যায় জানব চার থেকে ১৮ বছর বয়স্কদের জন্য উপযোগী ব্যায়াম সম্পর্কে।

দু-তিন বছরের শিশুর ব্যায়াম
এ বয়সের বাচ্চারা সাধারণত দৌড়ানো এবং কোনো কিছু ছুড়ে মারার প্রতি বেশি আগ্রহী হয়ে থাকে। এসব শারীরিক শ্রমের জন্য তাদের থাকে অফুরন্ত শক্তি। সে কারণে দিনে দেড় ঘণ্টার মতো তারা অনুশীলন করতে পারে। তবে তাদের জন্য অনুশীলনের সর্বোত্তম পরিকল্পনাটি এমনই হওয়া উচিত- এক ঘণ্টা তারা ইচ্ছামতোই অনুশীলন করবে। অনেকটা যার যা খুশি তাই। আর আধাঘণ্টা বাঁধা-ধরা নিয়ম মেনে। এক ঘণ্টার অনুশীলনে পার্ক বা খেলার জায়গায় হাঁটাহাঁটি করা যেতে পারে। মাঝে মাঝে হালকা দৌড়ও। অন্য সময়টুকু তাদের প্রিয় খেলনা নিয়ে খেলতে দেওয়া যেতে পারে। এমনকি লাফানো যেতে পারে ব্যাঙ লাফ।

 


মন্তব্য