kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বিজ্ঞান

চিত্র দেওয়ার সুযোগ থাকলে অবশ্যই দেবে

১৯ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



চিত্র দেওয়ার সুযোগ থাকলে অবশ্যই দেবে

সৃজনশীল প্রশ্ন

 

►   সাধারণত প্রথম ৫ অধ্যায় থেকে ৪টি সৃজনশীল প্রশ্ন থাকে। ৬-১২ অধ্যায় থেকে ৪টি, আর ১৩-১৪ অধ্যায় থেকে ১টি প্রশ্ন থাকে।

এভাবে মোট ৯টি প্রশ্ন থাকে। যেকোনো ৬টির উত্তর দিতে হয়। যেসব প্রশ্নের উত্তরে চিত্র দেওয়ার সুযোগ আছে, সেগুলো ঠিকঠাক লিখতে পারলে ভালো নম্বর তোলা যায়। ৩, ৯, ১০, ১২, ১৪ অধ্যায় থেকে ২০১৫ সালের পরীক্ষায় কোনো প্রশ্ন আসেনি, সেগুলো পুরোপুরি দেখতে হবে। মোটকথা, কোনো অধ্যায় বা টপিকই বাদ দেবে না। তবে যেসব অধ্যায় থেকে গতবার প্রশ্ন আসেনি, সেগুলো থেকেই এবার প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা বেশি।

ষ সাধারণত সংজ্ঞা, সূত্র, সমীকরণ বা কোনো বিশেষ সংখ্যা, সাল—এগুলো এ প্রশ্নের মূল জিজ্ঞাসা হতে পারে। তাই এগুলো নির্ভুলভাবে আয়ত্ত করতে হবে। অনুধাবনমূলক প্রশ্নের উত্তরে যতটুকু ব্যাখ্যা দরকার, ততটুকুই লিখবে।

►   প্রশ্নে যা যা যেভাবে চাওয়া হয়েছে, তা-ই ধাপে ধাপে বর্ণনা করবে। জীববিজ্ঞান অংশের প্রশ্নের উত্তরে প্রাসঙ্গিক চিত্র থাকলে তা অবশ্যই পেনসিল দিয়ে আঁকবে। চিত্র অবশ্যই চিহ্নিত করে দেখাতে হবে।

►    অনেক শিক্ষার্থীর ধারণা—যত বেশি লেখা যাবে তত নম্বর পাওয়া যাবে। এ ধারণা ঠিক না। প্রশ্ন বুঝে প্রশ্নের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক উত্তরটুকুই পরীক্ষার খাতায় লিখতে পারলে পুরো নম্বর পাওয়া যাবে।

►   বিজ্ঞান নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। নিয়মিত অনুশীলনই হচ্ছে বিজ্ঞানে ভালো নম্বর পাওয়ার পূর্বশর্ত। বেশি বেশি অনুশীলন করলে এ বিষয়ে দুর্বলতা চোখে পড়বে আর তা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে। বিজ্ঞান হলো বোঝার বিষয়। অনুশীলন করলে ধারণা পরিষ্কার হবে।

 

বহু নির্বাচনী প্রশ্ন

►   বহু নির্বাচনী অংশে ভালো করতে পারলে এ-প্লাস পাওয়ার সুযোগ থাকে। পরীক্ষার আগে নিয়মিত চর্চা আর পরীক্ষার হলে খেয়াল করে উত্তর করলে ৪০ বা কাছাকাছি নম্বর তোলা সম্ভব। এর জন্য দরকার পাঠ্য বই বারবার পড়া, গুরুত্বপূর্ণ লাইনগুলো টুকে রাখা। সব অধ্যায়ই পড়তে হবে। কোনো প্রশ্নই বইয়ের বাইরে থেকে আসবে না।


মন্তব্য