kalerkantho

বিশেষ পরামর্শ

এ-প্লাস পেতে হলে...

১৯ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



এ-প্লাস পেতে হলে...

এ-প্লাস পেতে হলে এ সময়টায় খাটতে হবে। যেসব বিষয়ে যেখানে যেখানে দুর্বলতা আছে, তা এখনই কাটাতে হবে।

কোথাও কোনো সমস্যা হলে তা সঙ্গে সঙ্গে টুকে রাখো এবং শিক্ষকের সাহায্য নাও। নিজের প্রস্তুতির বর্তমান অবস্থা বুঝে পরবর্তী পাঠ পরিকল্পনা ঠিক করো। এ-প্লাস পেতে হলে বহু নির্বাচনীতে প্রায় পুরো নম্বর তোলার চেষ্টা করবে। এই অংশে ভালো নম্বর থাকলে সৃজনশীল বা লিখিত অংশে চাপ কম পড়ে।

সৃজনশীলের অনুধাবন, প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতা—এই অংশগুলোর আলাদা আলাদা নম্বর ধরা হয়। তাই কোনো অংশের সঠিক উত্তর দিতে পারলে ওই অংশের নম্বরটুকু পাবে। তাই প্রশ্নের সব উত্তরই যে পারতে হবে, তা না। যে অংশটি পারো, সেটা যেন দিয়ে আসতে পারো। কোনো প্রশ্নের উত্তরই ছেড়ে আসবে না।

 

সৃজনশীল পদ্ধতির লিখিত প্রশ্নের প্রতিটিতে একটি করে উদ্দীপক থাকবে। সৃজনশীল প্রশ্নের ৪টি অংশ। এর মধ্যে ‘ক’ (জ্ঞান) প্রশ্নের উত্তর এক বাক্যে ঠিকঠাক লিখতে হবে। ‘খ’ (অনুধাবন) প্রশ্নের উত্তর উদাহরণসহ লিখবে। ‘গ’ নম্বর (প্রয়োগ) প্রশ্নের উত্তর উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করতে হবে এবং ‘ঘ’ নম্বর (উচ্চতর দক্ষতা) প্রশ্নের উত্তর যুক্তি ও উদাহরণের সাহায্যে বিশ্লেষণ করে যথাযথ সিদ্ধান্তসহ উপস্থাপন করতে হবে। সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তরের ক্ষেত্রে প্রশ্নের ধরন অনুযায়ী মানসম্মত ও যথাযথ উত্তর লেখবে।


মন্তব্য