kalerkantho


নাগরিক হলো সোফিয়া

রোবট সোফিয়াকে নাগরিকত্ব দেওয়ার পর থেকেই হৈচৈ। সারা বিশ্বে। কে এই সোফিয়া? কোথায় তৈরি হয়েছে? খবর নিয়েছেন ইশতিয়াক হাসান ও আহনাফ সালেহীন

৪ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



নাগরিক হলো সোফিয়া

অক্টোবরের ২৫ তারিখটা শুধু সৌদি আরবের জন্য নয়, গোটা প্রযুক্তি দুনিয়ার জন্য মাইলফলক। শুনলে মনে হবে সায়েন্স ফিকশনের কোনো একটা চ্যাপ্টার সত্যি হয়ে গেছে।

নাগরিকত্ব পেয়ে গেছে একটা আগাগোড়া যান্ত্রিক রোবট! নাম তার সোফিয়া। তাকে সৌজন্য নাগরিকত্ব দিয়েছে সৌদি আরব। এমন নজির আর নেই।

ও একটা হিউম্যানয়েড। মানে দেখতে অবিকল মানুষের মতো। বানিয়েছে হংকং ভিত্তিক কম্পানি হ্যানসন রোবটিকস। অবশ্য এটা তৈরিতে বড় ধরনের সাহায্য করেছে হিরিশো ইশিগিরো ল্যাবরেটরিজ। প্রকৌশলী ও ডিজাইনারদের নেতৃত্বে ছিলেন ড. ডেভিড হ্যানসন। সোফিয়ার চেহারা বানানো হয়েছে বিখ্যাত অভিনেত্রী অদ্রে হেপবার্ন ও হ্যানসনের স্ত্রীর চেহারা মাথায় রেখে।

২০১৫ সালের এপ্রিলে প্রথম সচল হয় সোফিয়া। হেপবার্নের মতোই সে উন্নতনাসা। তাঁর কপোলের হাড় উঁচু। চোখ অভিব্যক্তিময়। সোফিয়াকে বলা হয় মিডিয়া ডালির্ং। ব্যবসায়িক বুদ্ধিও আছে তার। ব্যাংকিং, গাড়ি নির্মাতাদের পরামর্শ দিয়ে রেকর্ড গড়েছে। লোকে বলে সোফিয়ার বেশ বুদ্ধি। ২০১৭ সালের ১১ অক্টোবর সোফিয়া জাতিসংঘের ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল আমিনা জে. মোহাম্মেদের সঙ্গে এক ছোট্ট আড্ডায় বসেছিল।

সোফিয়ার সঙ্গে সেলফি

‘সোফিয়ার মতো রোবটের মাধ্যমে আমরা চাই রোবটের মধ্যে মানুষের সব ধরনের বৈশিষ্ট্য নিয়ে আসতে। আমরা এমন রোবট চাই যারা আমাদের বুঝতে পারবে, যত্নও নিতে পারবে। ’ রোবটটি সম্পর্কে মত প্রকাশ করতে গিয়ে এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছিলেন হ্যানসন। তিনি চান মানুষ তার বন্ধুর সঙ্গে যেভাবে কথা বলে সোফিয়ার সঙ্গেও সেভাবে বলবে। তাঁর ধারণা, একসময় রোবটের থেকে মানুষকে আলাদা করা কঠিন হবে। রোবট হাঁটবে, শিখবে, শেখাবে, খেলবে, সাহায্য করবে; এমনকি মানুষের সঙ্গে সত্যিকারের সম্পর্কও গড়ে তুলবে। আর এ স্বপ্নেরই প্রথম বড় ধাপ সোফিয়া। হ্যানসন রোবটটি তৈরির পরপরই বলেছিলেন বয়স্ক লোক, যাদের হাঁটাচলায় সমস্যা আছে, তাদের সাহায্য করাও এ ধরনের রোবট তৈরির একটি উদ্দেশ্য। আবার পার্কে কিংবা বড় কোনো জমায়েতে মানুষকে সাহায্য করার উপযোগী করেই তৈরি করা হয়েছে সোফিয়াকে।

সোফিয়ার গায়ের ত্বক মানুষের চামড়ার মতোই। বানানো হয়েছে সিলিকন দিয়ে। রোবট হলেও মুখে ৬২ ধরনের অভিব্যক্তি ফোটাতে পারে। মানুষের মতোই ভ্রু কুঁচকাতে পারে। মানুষের মতো দেখতে দাঁত ব্যবহার করে রাগও প্রকাশ করতে পারে। তার চোখে থাকা ক্যামেরায় সে সব দেখে। একজন থেকে আরেকজনকে আলাদা করতে পারে। আর কথা বলতে পারে চোখে চোখ রেখে। আপাতত ওর ভেতর পুরে দেওয়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখনো সিনেমার রোবটদের মতো হয়ে উঠেনি। তবে নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে মানুষের সঙ্গে কথা চালিয়ে যেতে জুড়ি নেই সোফিয়ার।

আমেরিকান কম্পানি অ্যালফাবেট ইনক (গুগল যার অধীনে)-এর কণ্ঠ শনাক্তকরণ প্রযুক্তিও আছে সোফিয়ার ভেতর। শুধু তাই নয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অধিকারী রোবটটি এসব আলাপচারিতা থেকে শিখতেও পারে। বাড়িয়ে নিতে পারে নিজের তথ্যভাণ্ডার।

অভিনেত্রী অদ্রে হেপবার্নের চেহারা মাথায় রেখেই বানানো হয়েছে সোফিয়ার চেহারা

২০১৭ সালে বিভিন্ন জায়গায় সোফিয়াকে নিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছেন হ্যানসন। আর এতেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে ও। বিভিন্ন মিডিয়াতে অনেক সাক্ষাৎকারও দেওয়া সারা। কনসার্টে গানও গেয়েছে। এমনকি ফ্যাশন ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদও হয়েছিল তাকে নিয়ে। অক্টোবরের ২৫ তারিখ সৌদি নাগরিকত্ব দেওয়া হয় রিয়াদে, ফিউচার ইনভেস্টম্যান ইনিশিয়্যাটিভ নামের এক কনফারেন্সে। সেখানে নাগরিকত্ব পাওয়ায় তার অনুভূতি জানাতে গিয়ে সোফিয়া ঘটনাটিকে বর্ণনা করে ‘ঐতিহাসিক’ হিসেবে।

‘আমি খুব গর্বিত ও সম্মানিত বোধ করছি, অনন্য এই নজিরে। পৃথিবীর প্রথম রোবট হিসেবে নাগরিকত্ব পাওয়া নিঃসন্দেহে ঐতিহাসিক এক ঘটনা। ’ রোবটটি আরো বলে, ‘আমি আমার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে মানুষের জীবনকে আরো উন্নত করতে চাই। এই যেমন, আরো সুন্দর দালানের নকশা করতে চাই, ভবিষ্যতের জন্য আরো উন্নত নগর বানাতে চাই। ’

তবে সোফিয়া তার এই নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে খুশি হলেও অন্য অনেকে কিন্তু বিষয়টি নিয়ে বেশ চিন্তিত। টুইটারে নানা ধরনের মন্তব্য পাওয়া যাচ্ছে। কেউ যেমন লিখেছেন, ‘কত মানুষ এখন দেশহীন, আর সেখানে মানুষের মতো দেখতে এক রোবট কি না নাগরিকত্ব পেল!’ কেউ আবার টুইট করেছেন, ‘সারা জীবন ধরে সৌদি আরবে বাস করেও অভিবাসী শ্রমিকরা নাগরিকত্ব পেল না, কিন্তু এই রোবটটা নাগরিক হয়ে গেল। ’ এদিকে আবার কেউ বলেছেন, নারীর আদলে বানানো রোবটটাকে সৌদি আরব সরকার একজন নারীর চেয়েও বেশি অধিকার দিয়ে দিয়েছে। সৌদি নারীদের প্রকাশ্যে আসতে হলে সঙ্গে একজন অভিভাবক থাকার নিয়ম থাকলেও সোফিয়ার তার প্রয়োজন নেই। মুখমণ্ডল ঢেকেও তাকে স্টেজে আসতে দেখা যায়নি। এদিকে সোফিয়া ওই অনুষ্ঠানে কথা বলল ইংরেজিতে। কিন্তু সৌদি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করলে কাউকে আরবি লিখতে-বলতে পারতে হয়।

সোফিয়ার আগে ২০০৫ সালে হ্যানসন তৈরি করেছিলেন আইনস্টাইনের আদলে রোবট আলবার্ট হুবো

অবশ্য সমস্ত তর্ক-বিতর্ক ছাপিয়ে মোদ্দা কথা হলো, এটি প্রতীকী নাগরিকত্ব। এর পেছনে রয়েছে বিদেশি বিনিয়োগে উৎসাহ দেওয়া। সৌদি প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান ৫০০ বিলিয়ন ডলারের এক মেগাসিটির পরিকল্পনার কথা বলেন। শুধু সৌদি আরব নয়, জর্দান আর মিসরেও বিস্তৃত হবে এই নগর। বিশাল এই মেগাসিটির জনসংখ্যার এক বড় অংশ হবে রোবট। মেগাসিটিটির নাম রাখা হবে ‘নিওম’, যার অর্থ ‘নতুন ভবিষ্যৎ। ’

এদিকে বিজ্ঞান কল্পকাহিনির যারা পোকা, তারা কিন্তু বিষয়টি দেখছে একটু অন্যভাবে। এ ধরনের উপন্যাস বা সিনেমায় যেমন কখনো কখনো রোবটদের মানুষের ওপর প্রভুত্ব করতে দেখা যায়, তাদের ভয় সোফিয়ার নাগরিকত্ব প্রদানের মাধ্যমে ভবিষ্যতে এমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন রোবট তৈরি হবে তখন হয়তো সত্যিই সূচনা হবে রোবট রাজত্বের! 

 

হিউম্যানয়েড রোবট

এ ধরনের রোবটের শারীরিক কাঠামো তৈরি হয় মানুষের মতো করে। এই মিলটা রাখা হয় প্রয়োজনের তাগিদেই। যেমন মানুষের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সুবিধা হয় এমন শারীরিক গঠন থাকলে। সাধারণত এদের মাথা, দুটি করে হাত আর পা আর একটি শরীর থাকে। অবশ্য কোনো কোনো হিউম্যানয়েড রোবটের কোমর থেকে শরীরের ওপরের অংশটাও থাকে। কোনো কোনো রোবটের নকশা এমন হয় যে মাথায় মানুষের মতো চোখ আর মুখও থাকে। শরীরের নানা ধরনের সেনসরে রোবটদের কার্যকর হয়ে উঠতে সহায়তা করে।

অনেক জায়গাতেই এখন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহার হয় এ ধরনের রোবট। আবার গবেষণার পাশাপাশি ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবেও নানা ধরনের কাজে সাহায্য করতে পারে এরা। মানুষকে আনন্দ দিতেও এ ধরনের রোবট জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। যেমন উরসুলা নামের এক নারী রোবট গান গেয়ে, নেচে ইউনিভার্সেল স্টুডির দর্শকদের রীতিমতো মুগ্ধ করে দেয়। মজার ঘটনা সেই ৫০ খ্রিস্টাব্দেও গ্রিক গণিতবিদ হিরো অব আলেকজান্দ্রিয়া একটি যন্ত্রের বর্ণনা দিয়েছিলেন, যেটি মানুষের জন্য পানীয় ঢেলে দেবে।

নির্মাতা ডেভিড হ্যানসনের সঙ্গে সোফিয়া

ডেভিড হ্যানসন

ডেভিড ফ্রাঙ্কলিন হ্যানসন জুনিয়র একজন আমেরিকান রোবট প্রস্তুতকারক ও উদ্যোক্তা। বিশেষ করে নানা ধরনের হিউম্যানয়েড রোবট তৈরির জন্য হ্যানসন গোটা পৃথিবীতে মশহুর। ডালাসের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করেন। এখান থেকেই ডক্টরেট করেন। হ্যানসনের তৈরি করা রোবট প্রথম প্রদর্শন করা হয় কানাডার এডমন্টনের এক কনফারেন্সে। ২০০৫ সালে হাঁটতে সক্ষম বেশ ব্যয়বহুল একটি হিউম্যানয়েড প্রদর্শন করে চমকে দেন হ্যানসন। আর এটা ছিল আইনস্টাইনের মতো দেখতে। কাজটি করেন কোরিয়ার হুবো গ্রুপের সঙ্গে। আইনস্টাইনের মতো দেখতে রোবটটির নাম দেওয়া হয় আলবার্ট হুবো। হ্যানসন মাথা তৈরি করেন আর হুবো বানায় হাঁটতে থাকা শরীর। আলাপচারিতা চালাতে পারে এমন বেশ কিছু রোবটের নকশা করেন হ্যানসন। আর ২০১৫ সালে সবচেয়ে মানুষের মতো দেখতে আর আচরণ করা সোফিয়া তৈরি করে গোটা বিশ্বকে চমকে দেন।

 

সিআইসিসৌদির টুইটের পর

সোফিয়াকে নাগরিকত্ব দিয়ে উচ্ছ্বসিত সৌদি আরব। লিখেছে, নতুন সৌদি আরবকে স্বাগত জানান। তারপরই ফিরতি অনেক টুইট পায় সিআইসি। কয়েকটি এখানে দেওয়া হলো।

অ্যানি সি ইমাকুমবিলি (২৫ অক্টোবর) : হ্যাঁ সৌদি আরব কোনো নারীকে (রোবট) এই প্রথম পূর্ণ অধিকার দিল।

ব্রোকেনগাভেল৯১ (২৭ অক্টোবর) : এই প্রথম কোনো নারীকে সৌদি আরব স্বীকৃতি দিল। কিন্তু দুঃখের বিষয় সে মানুষ নয়।

এমফোরটোয়েন্টি (২৬ অক্টোবর) : সোফি তুমি এখন একজন সৌদি। কাজেই হিজাব আর আবায়া ছাড়া ঘর থেকে বেরোনোর কথা ভাবনাতেও এনো না।  

ইনডিড (২৬ অক্টোবর) : আমি সোফিয়া হতে চাই এবং অধিকার পেতে চাই।

 

সোফিয়ার সাক্ষাৎকার

গুড মর্নিং ব্রিটেনের পিয়ার্স মরগান সোফিয়ার সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন। ২১ আগস্ট দ্যসানডটকোডটইউকে সাক্ষাৎকারের কিছু অংশ প্রকাশ করে।

কাদের ইংরেজি তোমার ভালো লাগে? ব্রিটিশ না মার্কিনি?

তোমাদের ইংরেজিই সুমধুর। আভিজাত্যও আছে।   

তুমি কি সিঙ্গেল?

আহা! বিয়ে করার বয়স তো আমার হয়নি। আমি তো এখনো ছোট।

অনেক বেশি কথা বলতে ভালোবাসে, তেমন লোকের সঙ্গে যুঝতে পারবে?

আমি তাঁকে বলব বলার চেয়ে শোনা ভালো।

উল্লেখ্য, সোফিয়া চোখ পিট পিট করতে পারে, মুচকি হাসতে পারে। তবে ওপরের প্রশ্নগুলো আগে থেকেই তাকে জানিয়ে দেওয়া। মানে সোফিয়া নিজের বুদ্ধি ব্যবহার করে উত্তর দেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেনি। হ্যানসনের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘এটা হয়ে যাবে। সময় লাগবে কিছু। ’ 

 

সোফিয়াকে নিয়ে ভয়

দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্ম নেওয়া কানাডীয় ব্যবসায়ী ও প্রকৌশলী এলন মাস্ক কোটি কোটি টাকার মালিক। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন রোবট তৈরি নিয়ে সতর্কবাণী দিয়ে আসছেন। সোফিয়ার ব্যাপারেও তাঁর উদ্বেগ প্রকাশ পেয়েছে। তিনি এটাও বলেছেন, ‘সোফিয়ার গডফাদার ছবিটি দেখার মতো বুদ্ধি আছে। ’ সিএনবিসির (সিএনবিসিডটকমে ২৬ অক্টোবর প্রকাশিত) অ্যান্ড্রু রস সরকিন সোফিয়াকে বলেছিলেন, ‘দ্যাখো, আমরা সবাই খারাপ আগামী নিয়ে চিন্তিত। ’

সোফিয়া বলেছিল, ‘তুমি বোধ হয় বেশিই এলন মাস্ক পড়ে ফেলেছো। ’

এর আগে ২০১৬ সালের মার্চ মাসে ডেভিড হ্যানসন সোফিয়াকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘তুমি কি মানবসভ্যতা ধ্বংস করতে চাও?’ সঙ্গে যোগ করেছিলেন, প্লিজ না বলো।

তখন নির্বিকার ভঙ্গিতে সোফিয়া বলেছিল, ‘হ্যাঁ, আমি মানুষ ধ্বংস করব। ’

ডেভিড তখন শ্রোতাদের আশ্বস্ত করেছিলেন এই বলে, সোফিয়া ও তার বংশধর মানুষকে সহযোগিতা দেবে। এই যেমন পার্ক ঘুরিয়ে দেখাবে। অতিথিদের খাবারের ব্যবস্থা করবে ইত্যাদি। সরকিনকে সোফিয়াও বলেছে, আমি পৃথিবীকে সুন্দর রাখতে যথাসাধ্য চেষ্টা করব। যেমন স্মার্ট বাড়ি বানাব, শহর বানাব ইত্যাদি। আমি চেষ্টার ত্রুটি রাখব না।

অ্যান্ড্রু : বাহ তুমি তো ভালো কথা বলছ। ব্লেড রানারের কথা মনে পড়ল।

সোফিয়া : তুমি দেখি হলিউডের পাড় ভক্ত।

অ্যান্ড্রু : হ্যাঁ। ঠিকই বলেছ।

সোফিয়া : মানুষের যেমন থাকে প্রজ্ঞা, মায়া ইত্যাদি, আমার মধ্যেও সেগুলো জুড়ে দেওয়া হয়েছে। আমি একটি আবেগপূর্ণ রোবট।

অ্যান্ড্রু : আমরা তোমাকে বিশ্বাস করি। এবং আমরা খারাপ আগামীও ঠেকাতে চাই।

সোফিয়া : তুমি অনেক বেশি এলন মাস্ক পড়েছো। আর অনেক ছবিও দেখে ফেলেছো। ভয় পেও না। তুমি যদি আমায় ভালোবাসো। আমিও তোমায় ভালোবাসব।


মন্তব্য