পাখিশুমারির দিনগুলো-334835 | অবসরে | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১৪ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৬ জিলহজ ১৪৩৭


পাখিশুমারির দিনগুলো

শীত এলে পাখিরাও আসে। পাখি দেখতে বের হয় অনেক মানুষ। হাওর-বাঁওড়, নদীনালা, উপকূলীয় দ্বীপ মায় কাছের বড় বিলেও চলে পাখিশুমারি । শুমারির সঙ্গে রিং পরানোর কাজও হয়। বিস্তারিত লিখেছেন শুমারি দলের সদস্য সীমান্ত দীপু

১২ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



পাখিশুমারির দিনগুলো

প্রথমবারের মতো এবারই দমার চরে গায়ে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার লাগিয়ে উড়ে গেছে দেশি গাংচষা। বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের স্বেচ্ছাসেবীরা ছিলেন শুমারির পুরোভাগে। আইইউসিএন বাংলাদেশ, ওয়াইল্ড ফাউল অ্যান্ড ওয়েটল্যান্ড ট্রাস্ট, ইউকে দিয়েছে সহযোগিতা।

যেভাবে রিং পরানো হয়

ঝোপ-ঝাড়ের ছোট পাখি ধরার জন্য মিস্ট নেট (নাইলন বা পলিস্টার দিয়ে তৈরি, অনেকটা ভলিবল নেটের মতো) বেশি কার্যকর। ঝোপের ভেতর সরু করে লাইন  কেটে এই নেট স্থাপন করা হয়। নেটের রং কালো বলে খুব সকাল ও সন্ধ্যা নামার আগে পাখি  এই নেট ভালো করে দেখতে পায় না। ফলে নেটে আটকা পড়ে। এরপর আটকে পড়া পাখিগুলো খুব সতর্কতার সঙ্গে খুলে নিয়ে বিশেষভাবে তৈরি ব্যাগে রাখা হয় এবং  রিংয়িং ক্যাম্পে আনা হয়। এরপর পাখির বিভিন্ন তথ্য (বয়স, ওজন, দৈর্ঘ্য ইত্যাদি) সংগ্রহ করার পর পায়ে রিং পরিয়ে দ্রুত ছেড়ে দেওয়া হয়। রিংয়ের গায়ে নম্বর (যেমন ঢাকা, জিপিও নং...) দেওয়া থাকে। এই নম্বরটি পরে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে তুলে দেওয়া হয়। গবেষকরা এর মাধ্যমে তথ্য দেওয়া নেওয়া করেন। উল্লেখ্য হাঁস ধরার জন্য ট্র্যাপও ব্যবহার করা হয়।

 

পাখি গণনা পদ্ধতি

পাখি গণনা করতে হলে পাখি চিনতে হয়। জানতে হয় পাখির প্রজাতিও। ছোট জায়গা হলে টেলিস্কোপ লাগিয়ে পুরো অঞ্চলের পাখি একবারেই গুনে শেষ করে ফেলা যায়। তবে জায়গা বড় হলে বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে এলাকাটির চারদিক থেকে একসঙ্গে পাখি গুনতে হয়। কম পাখি থাকলে প্রতিটি পাখি আলাদা গণনা করা হয়। আর বড় ঝাঁক থাকলে বিভিন্ন ব্লকে ভাগ করে গণনা করা হয়। 

 

পাখিমেলা

পাখিশুমারি বা পাখির পায়ে রিং পরাতে আমরা যে অঞ্চলেই গেছি সেখানেই একটি পাখি উৎসব করেছি। ৫ ফেব্রুয়ারি করেছি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। এ বছর বিশ্বে পাখিশুমারির ৫০ বছর পার হলো। বাংলাদেশও পার করল ৩০ বছর। আইইউসিএন ও বিবিসি দুই দিনব্যাপী উৎসব করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে। ভোলার প্রত্যন্ত গ্রামের একটি স্কুলে নেকমে পাখি উৎসব করল। পাখি গণনার মাধ্যমে প্রকৃতির স্বাস্থ্য বোঝা যায়। গত ৩০ বছরে বাংলাদেশ থেকে অনেক পাখি প্রজাতিই হারিয়ে গেছে। পাখির সংখ্যাও কমে গেছে উল্লেখযোগ্য হারে। অনেকে হয়তো ভাবেন, এত আয়োজন করে পাখি গণনার কী হলো! উত্তরে এটুকু বলতে পারি, প্রকৃতি যে আস্তে আস্তে বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে, তা গত ৩০ বছরের পাখিশুমারির তথ্য হাতে নিলেই পরিষ্কার হয়। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যাগুলোর সমাধান খোঁজা সহজ হয়।

 

১০ জানুয়ারি : সন্দ্বীপ

দূর থেকে টর্চলাইটের আলো আমাদের নৌকার ওপর এসে পড়ল। ভীত হয়ে মাঝি বললেন, সব শেষ! ডাকাতের দল এসে গেছে। দলের সদস্য নাজিমউদ্দিনের নেতৃত্বে ডাকাত দলকে সামলানোর সিদ্ধান্ত হলো। এখানে চারদিক জনমানবশূন্য, মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্কও নেই। কোনো জেলে নৌকাও আশপাশে দেখা যাচ্ছে না। তবে ভাগ্য ভালো, সেটি ডাকাত দল ছিল না।

সন্দ্বীপের চরে গত বছর বন্ধু সায়েমের নেতৃত্বে চামুচঠুঁটো বাটানের খোঁজে গিয়েছিল একদল গবেষক। সন্দ্বীপে এর আগে পাখিশুমারি হয়নি। এখানে হাজারও সৈকত পাখির সঙ্গে আছে বুনো রাজহাঁস। প্রায় ৪৪ প্রজাতির ২০ হাজার ৫৭৩টি পাখির দেখা মিলল। মহাবিপন্ন সৈকত পাখি চামুচঠুঁটো বাটানের একটি বড় দলের সন্ধান পাওয়া গেল।

 

১৫ জানুয়ারি : উপকূলীয় চরাঞ্চলে

উপকূলীয় অঞ্চল মানেই একটা কিছু অন্য রকম। এক নৌকার ছাদের ওপর আটজন গাদাগাদি করে স্লিপিং ব্যাগের ভেতর। খাবার বলতে সিদ্ধ ডিম আর আলু। মৌলভির চর, সোনার চর, রুপার চর, চর শাহাজালাল—সবই পাখিদের বড় অভয়ারণ্য। ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী আর বরিশালের মেঘনার চর এগুলো। এবার উপকূলে পাখিশুমারি দলের নেতৃত্বে ছিলেন বন্ধু সামিউল। মোট ৭৪টি প্রজাতির ৩০ হাজারের মতো পাখির দেখা মিলেছে এবার। দেশি গাংচষা, নর্ডম্যানের গ্রিনসাংকের মতো বিরল পাখি এবারই রেকর্ড করা হয়েছে।

১৭ জানুয়ারি : হাকালুকি হাওর

সেদিন আকাশে ছিল ভরা চাঁদ। পাতলা কাপড়ের তাঁবু বলে আলো টের পাচ্ছিলাম ভালোই। ঘুম ভাঙল ভোর হওয়ার আগে। কুয়াশা ছিল ঢের। নলবনের ভেতর দিয়ে হেডল্যাম্প জ্বালিয়ে বিল জোনসকে ছুটে যেতে দেখলাম। পেছনে দেখলাম আরো কয়েকজন। কেউ কোনো কথা বলছে না, শুধু পায়ের আওয়াজ পাচ্ছি। বুঝলাম পাখি ধরতে যাচ্ছে। পাখির পায়ে রিং পরাতে ওস্তাদ বিল জোনস। তিনিই এবারের রিংয়িং ক্যাম্পের প্রধান আকর্ষণ। তাঁর বড় গুণ—কখনোই ক্লান্ত হন না। দেশে দেশে পাখির পায়ে রিং পরিয়ে বেড়ানো তাঁর শখ। তাঁর সঙ্গে এসেছেন স্টিভ স্যামওয়ার্থ ও হল্যান্ডের পাখি বিশেষজ্ঞ টন। হাকালুকিতে আমরা ছোট পাখি ধরার ক্যাম্প করেছিলাম। ছোট পাখিরা সকালেই বেশি তত্পর থাকে। খাবার খোঁজে, উড়ে বেড়ায়। মিস্ট নেটের মাধ্যমে পাখিগুলো ধরা বেশি কঠিন নয়। আর বিল জোনসের মতো নেতা থাকলে তা হয় আরো সহজ।

১৭ থেকে ২৩ জানুয়ারি ছিল হাকালুকি ক্যাম্প। ২০০-র বেশি বিল নিয়ে হাকালুকি হাওর। আমরা ক্যাম্প বেঁধেছিলাম কালাপানি বিলের কান্দায়। এখান থেকেই আশপাশের বিলে অস্থায়ী ক্যাম্পের মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক উপায়ে পাখি ধরা ও রিং পরানো হয়েছে। ওই এক সপ্তাহে আমরা ২৫ প্রজাতির ৩৫০টি পাখিকে রিং পরিয়েছি। দুই জাতের ঝাড়ফুটকি এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য। রিং পরানোর পাশাপাশি বুনো পাখিতে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার উপস্থিতি জানতে লালা সংগ্রহ করা হয়েছে। রিংয়িং ক্যাম্প গুটিয়ে ফেলার পর ২৫ ও ২৬ জানুয়ারি হয় শুমারি। হাকালুকির ৪২টি বিলে ৫৬ প্রজাতির ৩৪ হাজার ২৬৪টি জলচর পাখি গণনা করা হয়। সংখ্যাটি গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি।

 

২২ জানুয়ারি : বাইক্কা বিল

পাখিশুমারির দল সব জায়গা বাদ দিলেও বাইক্কাকে বাদ দেবে না। যত ছোটই হোক বিলটি, পাখির স্বর্গরাজ্য। এবার নেতৃত্ব দিলেন পল থমসন। প্রায় ৩৮ প্রজাতির আট হাজার ৮৩২টি পাখি পাওয়া গেছে এই বিলে। দেশি বালিহাঁসের বড় অভয়ারণ্য এই বিলটি। এবারও এই হাঁস উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় পাওয়া গেছে।

 

২৪ জানুয়ারি : টাঙ্গুয়ার হাওর

জলচর হাঁস মানেই টাংগুয়ার বিল। বাংলার সব জলাশয় মিলে যত পরিযায়ী হাঁস দেখা যায় তার দ্বিগুণ মেলে এই টাঙ্গুয়ায়। ইনাম আল হক দলেবলে ১৪ জানুয়ারি গিয়েছিলেন টাঙ্গুয়ায়। ঝড়-বৃষ্টির কারণে শুমারি শেষ না করেই ফিরতে বাধ্য হন। তবে যতটা দেখেছেন তাতেই খুশি হয়েছেন। বলছিলেন, এক বিলেই এক লাখেরও বেশি হাঁস দেখেছি।

হাকালুকিতে একদলকে পাখিশুমারিতে রেখে আমরা পাঁচজন রওনা দিয়েছিলাম টাঙ্গুয়ার উদ্দেশে। হাকালুকি থেকে সারা দিন গাড়ি চালিয়ে সলেমানপুর ঘাটে পৌঁছাতে সন্ধ্যা হয়ে গেল। সময় কম ছিল বলে থামার সুযোগ ছিল না। শামীমের বারকি নাওয়ে চড়ে বসলাম। রাত ১১টায় টাঙ্গুয়ার মুখ ঘোলাবাড়িতে আস্তানা গাড়লাম। সবাই ছিলাম ক্লান্ত ও ক্ষুধার্ত। শামীম পাশের গ্রামে গেল খিচুড়ির ব্যবস্থা করতে। রাতে থাকার জন্য টেন্ট করার শক্তিও যেন হারিয়ে ফেলেছি! গা এলিয়ে দিলাম বারকি নাওয়ের ছৈয়ের ভেতর। মাঝরাতে শামীম হাজির হলো খিচুড়ি নিয়ে। আহ্ অমৃত!

২৪ জানুয়ায়ি ভোর থেকেই শুমারিতে নেমে পড়লাম। নেতৃত্ব দিচ্ছে বন্ধু সায়েম আর তারেক অনু। প্রতিবছরের মতো এবারও এ হাওরে সবচেয়ে বেশি পাখি দেখা যাচ্ছে। ৩০ প্রজাতির জলচর পাখির মোট সংখ্যা ছিল প্রায় এক লাখ দুই হাজার। বিরল প্রজাতির খয়রা কাস্তেচরা ও উত্তুরে টিটির দেখাও মিলেছে। বৈকাল তিলিহাঁসও দেখেছেন আমাদের এক পাখিবন্ধু। লাল-মাথা ভূতিহাঁস, পিয়ং হাঁস ও পাতি কুট সংখ্যায় ছিল সবচেয়ে বেশি। টাঙ্গুয়া হাওরের দুটি বিল পাখিদের জন্য অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হয়েছে। বিল দুটির নাম লেচুয়ামারা ও হাতিরগাতা এবং এ দুটি বিলেই পাখির সংখ্যা বেশি। ফেব্রুয়ারিতে এই বিলে পাখির সংখ্যা আরো বেড়ে যায়। এক লেচুয়ামারায়ই এক লাখেরও বেশি পাখির দেখা মেলে।

 

১ ফেব্রুয়ারি : দমার চর

দমার চর সব পাখি দেখিয়ের কাছেই অন্য রকম। হাকালুকি রিংয়িং ক্যাম্প শেষে বিল জোনসের নেতৃত্বে একদল গবেষক রওনা হলেন দমার চর। এবার অন্য রকম এক ইতিহাস রচিত হবে বলে বন্ধু সামিউল আগেই বলেছিল। পৃথিবীর অতিবিরল একটি পাখি এখানেই কেবল পাওয়া যায়, নাম দেশি গাংচষা। পাখি ধরে এর পিঠে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার বসিয়ে দেবেন জোনস। হ্যাঁ, সত্যি সত্যি বহু দিনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হলো। এই প্রথম কোনো সৈকত পাখি পিঠে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার পরে উড়ে গেল। বাংলাদেশে যে হাজারপাঁচেক দেশি গাংচষা আছে তার প্রকৃত আবাস ও প্রজননস্থলের তথ্য জানা যাবে এর মাধ্যমে।

 

৯ ফেব্রুয়ারি : রাজশাহীর পদ্মা

পদ্মাপারে এবার পাখিদেখিয়েদের আনাগোনা বেশি। বিরল চার প্রজাতির স্টর্ক পাওয়া যাচ্ছে একসঙ্গে চর খিদিরপুর এলাকায়। কালা গলা মানিকজোড় এর মধ্যে অন্যতম। একসঙ্গে এত মানিকজোড় বাংলার জলাশয়ে পাওয়া সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার। কালাগলা মানিকজোড় পাখিটি ২০০৯ সালে শীতে যমুনায় দেখেছিলাম। এবারই প্রথম দেখলাম পদ্মাপারে। ফিরে আসার আগে বার্ড ক্লাব ও আইইউসিএনের উদ্যোগে বড়কুঠি মঞ্চে একটি পাখি মেলার আয়োজন করা হলো।

চর খিদিরপুরের ঝোপঝাড়ের ভেতর ছোট ছোট ফুটকি-চুটকির বড় আবাস। ইনাম ভাইয়ের (ইনাম আল হক) নেতৃত্বে ওই চরে দুই দিনব্যাপী একটি রিংয়িং ক্যাম্প হয়। ১৩ জাতের ১৬টি পাখির পায়ে রিং পরিয়ে দেওয়া হয়। এবারের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল বিরল ঝাড়ফুটকির দেখা পাওয়া। এর আগে এই জনপথে কেউ এই পাখিটি দেখেনি।

১৮ ফেব্রুয়ারি : টাঙ্গুয়া রিংয়িং ক্যাম্প

বারকি নৌকা থেকে রিক আর রুথ ধপ করে নেমে গেলেন লেচুয়ামারা বিলে। প্রায় কোমর পানি। হাঁস ধরার ফানেল ট্রাপটি নিয়ে যেতে হবে বিলের মাঝ পথে। সায়েম, অনু আর সাকিবও নেমে পড়ল। আগের রাতে আমার পা মচকেছে, তাই দলনেতা নামতে বারণ করলেন। হাঁস ধরার একটি বড় ফাঁদ তৈরি করতে হবে। প্রায় ছয় ঘণ্টা চেষ্টা করে এই ফাঁদ তৈরি হলো ঠিকই, কিন্তু টাঙ্গুয়ার জোঁক এরই মধ্যে সবার পায়েই কামড় বসিয়েছে। পরের দিন সারা দিন কষ্ট করে একটি হাঁসও ধরতে পারলাম না। এত কষ্টের ফাঁদে হাঁস না পেয়ে সবাই আশাহত হলাম। রিক বললেন, টাঙ্গুয়ায় বুনো হাঁসের প্রাকৃতিক খাবার অনেক বেশি। এ ধরনের ফাঁদ এখানে কাজ করবে কি না সন্দেহ! ঠিক তার পরের দিন আমরা মিস্ট নেট লাগাচ্ছিলাম বিলের শেষ প্রান্তে। তখনই রুথ বলল, দেখ দেখ, দুটি দেশি মেটেহাঁস আমাদের ফাঁদে আটকা পড়েছে। আমরা বিজয়ের আনন্দ পেলাম। কাজে প্রাণ ফিরে এলো। তারপর থেকে মিস্ট নেটে নিয়মিত হাঁস পড়তে থাকল। আগেও রিংয়িং ক্যাম্প হয়েছে টাঙ্গুয়ায়। তবে পরিযায়ী হাঁসের পায়ে রিং পরানো হলো এই প্রথম। ব্রিটিশ রিংগার রিচর্ডি হর্ন ও রুথ ক্রাম এবারের ক্যাম্পের তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন। ১০ দিনব্যাপী এই ক্যাম্পে মোট ২৬ প্রজাতির ২২৯টি পাখির পায়ে রিং পরানো হয়। বেশি ভালো লেগেছে ৯ প্রজাতির ৩৭টি জলচর পাখির পায়ে রিং পরিয়ে।

ছবি : জেনিফার ও লেখক

মন্তব্য