kalerkantho

ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালিত

কূটনৈতিক প্রতিবেদক    

৮ মার্চ, ২০১৯ ১৩:৫৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালিত

ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যুগান্তকারী এ ভাষণ বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করে। রেসকোর্স ময়দানে এই ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু প্রকৃতপক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

এই ঐতিহাসিক দিনটি উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ দূতাবাস বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন ৭ই মার্চের গুরুত্ব ও তাৎপর্য ব্যাখ্যা করে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ৭ই মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি বিশেষ দিন। রাষ্ট্রদূত বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ইতিহাসের একমাত্র ভাষণ যার মাধ্যমে একটা জাতি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের অমূল্য প্রামাণ্য দলিল হিসেবে তাদের ওয়ার্ল্ড মেমোরি রেজিস্ট্রারে অন্তর্ভূক্ত করে স্বীকৃতি দিয়েছে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র স্টেট ডিপার্টমেন্ট থেকে 'International Women of Courage' পুরস্কারপ্রাপ্ত মিয়ানমারে জন্মগ্রহণ করা বাংলাদেশী নাগরিক রাজিয়া সুলতানা। সুলতানা তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, তাঁর নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশ আজ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্ব মানচিত্রে স্থান পেয়েছে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর মত একজন নেতা পেলে রোহিঙ্গাদের জন্মভূমি থেকে কেউ বিতাড়িত করতে পারতো না। তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা দেশে ফিরতে চায়।

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পনের মাধ্যমে দিনের অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষনটি প্রদর্শিত হয় এবং মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।

মন্তব্য