kalerkantho


আমিরাতে বিভিন্ন পেশার প্রবাসী ও মিডিয়াকর্মীদের মিলনমেলা

এম আবদুল মন্নান, আমিরাত প্রতিনিধি   

১৮ জুন, ২০১৮ ০০:০৪



আমিরাতে বিভিন্ন পেশার প্রবাসী ও মিডিয়াকর্মীদের মিলনমেলা

ছবি: কালের কণ্ঠ

ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনন্দ। বিশ্বের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রবাসীদের সঙ্গে আমিরাত প্রবাসীরাও গত শুক্রবার (১৫ জুন) খুশির এ ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন। দেশের মতো তারাও ঈদের নামাজশেষে নানা আয়োজনে মেতে উঠেছেন খুশির ঈদ উদযাপনে। চারদিকের লাল-নীল আলোর ছটায় আমিরাতের নানা পেশার প্রবাসীদের পাশাপাশি আমিরাতে অবস্থানরত সাংবাদিক ও মিডিয়াকর্মীরাও নানাভাবে উদযাপন করেন এ খুশির ঈদ।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে সাতটি প্রদেশে ভোর সাড়ে ৫টা হতে ৫.৫০টায় ঈদের নামাজ সম্পন্ন হয়। আমিরাতে অবস্থানরত প্রবাসী সাংবাদিক ও মিডিয়া কর্মীরা এবং আমিরাতের অন্যতম সামাজিক ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান সৈয়দ আহাদ ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তাসহ নানা পেশার প্রবাসীরা ঈদের দিন অপরাহ্নে মিলিত হন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন সৈয়দ আহাদের আজমানস্থ বাসভবনে তার আমন্ত্রণে।

স্বল্প পরিসরে সৈয়দ আবু আহাদের বাসভবনে আয়োজিত মিডিয়াকর্মীসহ নানা পেশার প্রবাসীদের সরব উপস্থিতি অনুষ্ঠানটি যেন দেশীয় প্রবাসীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। তাঁর মতে, প্রবাসে ঈদ উদযাপনটা দেশের মতো তেমনটা  জাঁকজমক না হলেও দেশীয় প্রবাসীদের আনাগোনা আর মিডিয়া কর্মীদের সরব উপস্থিতিতে মনে হয়নি তিনি বিদেশে আছেন। মেহেমানদারী আর শুভেচ্ছা বিনিময় করে সারাদিন মেতে ছিলেন বলে জানান একমিনিউটি নেতা।

অনুষ্ঠানে জনতা ব্য্যাংক শারজাহ শাখার ব্যবস্থাপক মাহবুবুর হোসেনের মতে, দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার পর এল খুশির ঈদ। পরিবার পরিজনহীন প্রবাসে ঈদ উদযাপনটা শুন্যতায় ভোগেন সবাই। কিন্তু আহাদ ফাউন্ডেশন চেয়াম্যানের আয়োজনে সংবাদকর্মী, আহাদ ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা আর বিভিন্ন পেশার প্রবাসীদের মিলন মেলায় সেই শুন্যতাটুকু প্রবাসে কাটিয়ে উঠতে সম্মত হয়েছেন বলে মনে করেন এ ব্যাংক কর্মকর্তা।

আহাদ ফাউন্ডেশনের অন্যতম কর্মকর্তা ওসংগঠক মোস্তাফা মাহমুদ তাঁর বলেন, দেশের মতো দল বেঁধে ঈদের বেড়ানোটা তেমন না থাকলেও স্বল্প পরিসরে প্রবাসে অব্স্থানরত বন্ধু-বান্ধব আর মিডিয়া আর বিভিন্ন পেশার প্রবাসী আর সংগঠনের কর্মী আর তাঁদের পরিবার-পরিজন নিয়ে এক জায়গায় মিলিত হওয়াটাই যেন মিনি বাংলাদেশ। অনুষ্ঠানটি যেন বাংলাদেশিদের মিলনমেলায় পরিণত হয়।

কমিউনিটির অন্যতম নেতা মোহাম্মদ ইসমাইল গনি চৌধুরীর মতে, আমিরাতে ছেলেমেয়ে আর পরিবার নিয়ে বিদেশে থাকলেও মনটা পড়ে থাকে দেশে থাকা মা-বাবা, ভাইবোন, আত্মীয় স্বজনদের কাছে। তবুও এ ধরনের আয়োজনে আমরা এ শুন্যতাটুকু ভুলে যাই।

আহাদ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রবাসে সাংবাদিক কর্মীসহ বিভিন্ন পেশার প্রবাসীদের এক জায়গায় মিলনমেলায় ঈদ উদযাপনের এ আয়োজনকে ধন্যবাদ জানান সংবাদকর্মীরাও। অনুষ্ঠানে আমিরাতে অবস্থানরত ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিড়িয়ার প্রায় সকল সংবাদকর্মী উপস্থিত ছিলেন। সংবাদকর্মীরা ক্যাপ্টেন সৈয়দ আবু আহাদকে ধন্যবাদ জানান এবং এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করার জন্য ধন্যবাদ জানান তারা। তার সঙ্গে সঙ্গে প্রবাসী ও দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা বিশেষ করে চট্টগ্রামের বন্যার্তদের জন্য শুভ কামনা ও সমবেদনা জানান।



মন্তব্য