kalerkantho


জেরুজালেম ইস্যু

হোয়াইট হাউজের সামনে মুসলিম সম্প্রদায়ের বিক্ষোভ

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি   

৯ ডিসেম্বর, ২০১৭ ১৫:৩১



হোয়াইট হাউজের সামনে মুসলিম সম্প্রদায়ের বিক্ষোভ

জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণার পরই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মত যুক্তরাষ্ট্রেও প্রতিবাদের ঝড় চলছে। 

গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজ পড়েই হোয়াইট হাউজের সামনে প্রতিবাদ জানায় যুক্তরাষ্ট্রের শত শত মুসলিম সম্প্রদায়। এ সময় বিক্ষোভকারীদের অনেকের মাথায় ফিলিস্তিনিদের কেফিয়া এবং হাতে পতাকা থাকে। আবার অনেকের হাতে ছিল ইসরাইলের দখল করা পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম ও আল আকসা মসজিদের প্ল্যাকার্ড। 

প্রসঙ্গত, গত বুধবার রাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতির কথা জানান এবং তেল আবিব থেকে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তরের ঘোষণা দেন।

এই বিক্ষোভে অংশ নেন দ্য কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস (সিএআইআ)-এর নির্বাহী পরিচালক নিহাদ আওয়াদ। তিনি ট্রাম্পের এমন সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ট্রাম্প জেরুজালেম এবং ফিলিস্তিনের মাটির মালিক নন। তিনি ট্রাম্প টাওয়ারের মালিক। ইসরাইলকে কিছু দিতে চাইলে এটি দিয়ে দিক।’ 
মার্কিন প্রেসিডেন্টকে খ্রিস্টান ধর্মের উগ্রপন্থী বলেও মন্তব্য করেন নিহাদ আওয়াদ।

তিনি আরো বলেন, ট্রাম্পের উচিত আমেরিকান স্বার্থরক্ষায় সর্বপ্রথম কাজ করা। অন্যের লবিংয়ে, তাদের গুঁটি হয়ে কাজ না করা।

আরেক বিক্ষোভকারী জাহিদ আল-হারশেহ বলেন, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত শান্তির জন্য নয়। তিনি সেখানে আরো গণ্ডগোল তৈরি করছেন। এতে মুসলিম বিশ্বের মনে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

এদিকে ট্রাম্পের ঘোষণার পরই ফিলিস্তিনের পশ্চিমতীরে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। ইসরাইল গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে। এতে বহু হতাহত হয়েছে। অপরদিকে হামাস নতুন করে ইন্তিফাদার ঘোষণা দিয়েছে।
এমন অস্থিতিশীল অবস্থার প্রেক্ষাপটে গতকাল শুক্রবার রাতে জাতিসংঘে ব্রিটেনের রাষ্ট্রদূত ম্যাথু রেক্রফট নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক আহ্বান করেন। 

বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করে সদস্য দেশগুলো। তবে যুক্তরাষ্ট্রে এ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতারা। 


মন্তব্য