kalerkantho


লুৎফুন নাহার লতা’র ‘জীবন ও যুদ্ধের কোলাজ’ বই নিয়ে আলোচনা

সাবেদ সাথী, নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি   

২৭ নভেম্বর, ২০১৭ ০১:২২



লুৎফুন নাহার লতা’র ‘জীবন ও যুদ্ধের কোলাজ’ বই নিয়ে আলোচনা

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক প্রবাসী বাংলাদেশ টেলিভশনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও লেখক লুৎফুন নাহার লতা'র ‘জীবন ও যুদ্ধের কোলাজ’ নামক প্রকাশিত বই নিয়ে এক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

গত শনিবার নিউ ইয়র্কের  বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সমকালীন পাঠচক্র ও কুইন্স সেন্ট্রাল লাইব্রেরির নিউ আমেরিকানস প্রোগ্রাম এর যৌথ আয়োজনে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

কুইন্স লাইব্রেরিতে অনুষ্ঠিত জীবন ও যুদ্ধের কোলাজ বইয়ের এ আলোচনায় অংশ নেন প্রবীণ সাংবাদিক সৈয়দ মোহাম্মদউল্লাহ, জনপ্রিয় ব্লগার ও লেখক কুলদা রায়, কবি শামস আল মমিন, কবি ও সাহিত্যিক নাজনীন সাইমন, নারী পত্রিকার সম্পাদক পপি চৌধুরী, সাংবাদিক লেখক ফাহিম রেজা নূর, শিক্ষক মার্ক ওয়াইনবার্গ এবং লেখক ও গবেষক আহমদ মাজহার।

লতা'র নিজের দেখা চারিপাশের মানুষের জীবন নিয়ে লেখা গল্প গুলোই জীবন ও যুদ্ধের কোলাজ। দশটি গল্পের শেষ গল্প জীবন ও যুদ্ধের কোলাজসহ যে গল্পগুলো এই বইয়ে স্থান পাই তা হলো দ্যা ফিউজিটিভ, উকুন, সুদূর রাতের গান, গল্লামারী ব্রিজের নীচে, কঙ্কনা, অন্তর্গত আর্তনাদ, ফেরারী, একটি হত্যাকান্ড ও লাল গোলাপ এবং রেইপ কেস। লুতফুন নাহার লতা তার শিল্পিত সুষমায় একান্ত নিজস্ব সাবলীল অভিনয় শৈলী দিয়ে লিখেছেন বাস্তব মানুষের জীবন চরিত্র।

এ সময় বক্তারা বলেন, লুতফুন নাহার লতা তার চারপাশের চলমান ঘটনা নিখুঁতভাবে দেখেছেন ও তার সঠিক প্রতিচ্ছবি সাবলীলভাবে তার লেখায় তুলে ধরেছেন। আলোচকগণ লতা'র গল্পগুলোর আলোচনা করবার সময় বুঝিয়ে দিয়েছেন যে তারা সকলেই জীবন ও যুদ্ধের কোলাজ'এর দশটি গল্পই উপভোগ করেছেন। 

অনুষ্ঠানের শুরুতে লতা তার বই থেকে দুটি গল্প সকলকে পড়ে শোনান। উপস্থিত শ্রোতারা মুগধ হয়ে শুনেছেন তার গল্প পাঠ ও পরিবেশনা। বিকেল আড়াইটা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত চলে সমকালীন পাঠচক্রের আসর।

অনুষ্ঠান শেষে মাহফুজা আহমেদ ও সেলিনা শারমিন বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ও কুইন্স লাইব্রেরির পক্ষ থেকে সকলকে ধন্যবাদ জানান ও আগামী ১৬ই ডিসেম্বর সমকালীন সাহিত্য পাঠের পরবর্তী আসরে আসবার আমন্ত্রণ জানান। আগামী আসরে কবি হাসান আল আব্দুল্লাহ'র বই আলোচিত হবে বলে তারা জানান।



মন্তব্য