kalerkantho


যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সাংবাদিকদের দ্বারা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ট্রাম্প

সাবেদ সাথী, নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি   

২০ মে, ২০১৭ ০২:২৪



যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সাংবাদিকদের দ্বারা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে তিনিই সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন সাংবাদিকদের দ্বারা। সাংবাদিকরা তার বিরুদ্ধে দিনের পর দিন লিখে যাচ্ছেন, আক্রমণ করে যাচ্ছেন, অতীতে এমন কোনো দৃষ্টান্ত মার্কিন ইতিহাসে নেই।

এমন কোনো রাজনৈতিক নেতা নেই, যিনি তার মতো আক্রান্ত হয়েছেন।  

ইতিমধ্যে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে ‘সর্বশক্তি’ দিয়ে লড়াই করার কথা ঘোষণা করে দিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিয়ন্ত্রণাধীন হোয়াইট হাউজ। আর বিষোদগারের মাত্রা ছড়িয়ে ট্রাম্প বলেছিলেন, পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি মিথ্যে কথা বলেন সাংবাদিকরাই। প্রশাসনিক জমানার শুরুর দিনই বলেছিলেন, মিডিয়াই হল পৃথিবীর সবচেয়ে ‘অসৎ শ্রেণিভুক্ত’।  

সাংবাদিকদের দিকে হাত তুলে বলেছিলেন, সংবাদপত্রের সঙ্গে তার সম্পর্ক বৈরিতার। ট্রাম্প বলেছিলেন, মিডিয়া আমেরিকার মানুষের শত্রু। রীতিমতো ট্যুইট করে বলেছিলেন, নিউ ইয়র্ক টাইমস, এবিসি, সিবিএস, সিএনএন-র ভুয়ো খবর আমার কোনও ক্ষতি করতে পারবে না। সেই রেশ ধরেই এদিন ট্রাম্প সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ফের বিষোদগার করলেন। বললেন, এই মিডিয়ার কাজে সাহায্য করার জন্য তাকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করা হয়নি।

এদিকে ফের ন্যাটো ছাড়ার হুমকি দিলেন ট্রাম্প। জানিয়ে দিলেন, জোটের অন্যরা যদি ঠিকমত দায়িত্ব পালন না করে তাহলে আমেরিকা ন্যাটো ছেড়ে বেরিয়ে আসবে। বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী লড়াইয়ে আমেরিকার শক্তি ও অর্থ বরাদ্দ কমিয়ে আনতে চাইছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার প্রশাসন চাইছে, সন্ত্রাস-বিরোধী লড়াইয়ে জার্মানি, ফ্রান্স, ব্রিটেনের মতো মিত্র দেশগুলি তাদের খরচ এবং নিজেদের অংশগ্রহণ আরো বাড়াক। এমনই একটি খসড়া তৈরি করে ফেলেছে হোয়াইট হাউজ।  
সন্ত্রাস-বিরোধী লড়াইয়ের জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের ১১ পৃষ্ঠার ওই খসড়ায় আমেরিকার ব্যয়বহুল সামরিক প্রতিশ্রুতি খারিজের প্রস্তাব করা হয়েছে। সেই সঙ্গে স্বীকার করা হয়েছে, সন্ত্রাসবাদের বিপদ কখনই পুরোপুরি দূর করা সম্ভব নয়। কয়েক মাসের মধ্যে ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন এই নীতি প্রকাশ করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই খসড়ায় বলা হয়, বিশ্বে জেহাদি সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে অভিযান আরো জোরদার করার পাশাপাশি মার্কিন ‘রক্ত ও সম্পদ’-এর খরচ কমানোর দিকেও মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন আমাদের। ‘সন্ত্রাস-বিরোধী অভিযানের লক্ষ্য অর্জনে ব্যয়বহুল, বড় পরিসরের সামরিক অভিযান এড়ানোর উপায় খুঁজে বের করব আমরা এবং সন্ত্রাসী সংগঠনগুলিকে রুখতে সহযোগীদের আরও দায়িত্ব নেয়ার ব্যাপারে ক্রমবর্ধমানভাবে জোর দেব। নতুন এই খসড়ায় স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে, ‘কোনোভাবেই সন্ত্রাসবাদকে চূড়ান্ত পরাজিত করা সম্ভব নয়। এদিকে বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করতে চীনে যেতে চান ট্রাম্প।


মন্তব্য