kalerkantho


আংকারায় প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের নৈশ ভোজে বাংলাদেশি শিশু সাংস্কৃতিক দল

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ এপ্রিল, ২০১৭ ১৭:৪২



আংকারায় প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের নৈশ ভোজে বাংলাদেশি শিশু সাংস্কৃতিক দল

মেজবান এরদোয়ানের সঙ্গে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে যোগ দেওয়া মেহমান শিশুরা -কালের কণ্ঠ

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৩০ দেশের শিশুদের অভ্যর্থনা দিয়েছেন। সারা বিশ্বের শিশুদের নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে উদ্বেগ ব্যক্ত করে তিনি বলেছেন, বড়দের বাঁধানো যুদ্ধ ও সহিংসতায় প্রাণ হারাচ্ছে শিশুরা- এ অন্যায়।  

বাংলাদেশের ১৪জন শিশুশিল্পী বৃহস্পতিবার রাজধানী আংকারায় প্রেসিডেন্ট ভবনে রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ানের সঙ্গে সাক্ষাত করে ও রাষ্ট্রীয় নৈশ ভোজে যোগ দেয়। তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমির পরিচালক শিশু সাহিত্যিক আনজীর লিটন।

শিশু সাংস্কৃতিক দলে রয়েছে সুহৃদ সাম্যদীপ, মহিমা স্বাগত, তাওসিফ সাদমান তূর্য, আদিবা ইবনাত শাইরা, মুসররাত জামান খান, লাবিবা আলম চৌধুরী, ব্রততী রায়, আরিয়ানা প্রীতি, সমৃদ্ধা শাম্স, ওমামা আক্তার সাদিয়া আফরিন, ফারজানা জামান জিসা, সামিয়া ইয়াসমিন অথৈ, গালিফ হাসান সিজান ও মোহন মিয়া। দলে আরও আছেন ঢাকা জেলা শাখা শিশুবিষয়ক কর্মকর্তা রাশিদা বেগম।

প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান মিলনায়তনভর্তি শিশুদের উদ্দেশ্যে কবি নাজিম হিকমতের ‘হিরোশিমার ছোট্ট বালিকা’ কবিতাটি আবৃত্তি করেন।

হিরোশিমার মতো সিরিয়া, ইরাকসহ বিভিন্ন দেশে অসংখ্য শিশুও প্রাণ হারাচ্ছে উল্লেখ করে এরদোয়ান বিদেশি শিশুদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘দেশে ফিরে গিয়ে বড়দের, বিশেষ করে বাবা-মা ও শিক্ষকদের সঙ্গে তোমরা বিশ্বের নির্যাতিত শিশুদের কথা বলবে। তোমরা মুখ খুললে বড়রা অবশ্যই তোমাদের দুঃখ বুঝবে, তারা তখন অন্যসব শিশুর প্রতি সহানুভূতিশীল হবে। আমি নিজেকে দিয়ে বুঝি, একটি অবুঝ শিশুর মুখ দেখে কোনো মানুষ, কোনো হৃদয়  কোমল না হয়ে পারে না। ’

অনুষ্ঠানের একটি আনন্দঘন মুহূর্তে জাতীয় পতাকাসহ বাংলাদেশি শিশুরা

তুরস্কে আগামী রবিবার পালিত হবে ৩৯তম ‘টিআরটি আন্তর্জাতিক শিশু উৎসব’- দিনটিকে শিশুদিবস হিসেবে পালনের সূচনা করে গেছেন তুর্কি জাতির পিতা মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক।

উদ্যোক্তা সংস্থা রাষ্ট্রীয় টিভি ও রেডিওগুলোর সংগঠন টিআরটি এবার উৎসবের আয়োজন করেছে নেভসেহির শহরে। ‘গালা’ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি শিশুরা কাল ‘ঢোল বাজে, ঢোল বাজে বাংলাদেশের ঢোল’ গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করবে; পরেও নৃত্য ও সংগীতের একাধিক পরিবেশনায় তারা তুলে ধরবে বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে।  

বাংলাদেশি সাংস্কৃতিক দল

উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সারা দেশ থেকে এই সফররত বাংলাদেশি সাংস্কতিক দলের অন্তর্ভুক্ত শিশুদের বাছাই করা হয়েছে বলে জানায় বাংলাদেশ শিশু একাডেমি।


মন্তব্য