kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


টেক্সাসে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত সৌরভকে নিউ ইয়র্কে স্থানান্তর

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি   

৯ অক্টোবর, ২০১৬ ১৪:৫৬



টেক্সাসে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত সৌরভকে নিউ ইয়র্কে স্থানান্তর

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শাদাব সৌরভকে ৪০ দিন পর নিউ ইয়র্কের হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। গত ২৭ আগস্ট সন্ধ্যা ৮টার দিকে টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের নরমাঙ্গি শহরের মহাসড়কে দুই প্রাইভেট কারের সংঘর্ষে মাহবুবুল সৌরভ ও তাঁর স্ত্রী সাফিনা সৌরভ দুর্ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

গাড়ির চালক তাঁদের একমাত্র ছেলে শাদাব সৌরভ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হলে তাঁকে স্থানীয় ব্রাইয়ান শহরের সেইন্ট জোসেফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘ ৪০ দিন ধরে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকার পর গত শুক্রবার শাদাবকে নিউ ইয়র্কের এনওয়াইইউ ল্যানগোনের জয়েন্ট ডিজিজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

প্রয়াত সৌরভের ছোটভাই ডালাসপ্রবাসী রুহুলুল ইসলাম রুহেল কালের কণ্ঠকে বলেন, বেশ কয়েক দিন আগে শাদাবের জ্ঞান ফিরলেও সে সঠিকভাবে কাউকেই চিনতে পারছেন না। তাঁর পরিচিত বন্ধু-বান্ধব ও স্বজনদের সাক্ষাৎ পেলে হয়ত-বা দ্রুত স্মৃতিশক্তি ফিরে পেতে পারেন। এসব বিষয় চিন্তা করেই চিকিৎসকদের পরামর্শে গত শুক্রবার টেক্সাসের ব্রাইয়ান শহরের সেইন্ট জোসেফ হাসপাতাল থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে নিউ ইয়র্কের এনওয়াইইউ ল্যানগোনের জয়েন্ট ডিজিজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে সেখানেই সে ভর্তি রয়েছে। তার রুম নম্বর ৯১৫। বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয়-স্বজনদের শাদাবের সঙ্গে সাক্ষাৎসহ দোয়া প্রার্থনা করেছেন তার চাচা রুহেল।

উল্লেখ্য, ২৭ আগস্ট সন্ধ্যা ৮টার দিকে টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের নরমাঙ্গি শহরের ৩৯ নম্বর মহাসড়কে দুই প্রাইভেট কারের সংঘর্ষে নিউ ইয়র্কের এলমহার্স্টের বাসিন্দা মাহবুবুল সৌরভ ও তাঁর স্ত্রী সাফিনা সৌরভসহ ঘটনাস্থলে তিনজন নিহত হন। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত মাহবুবুল সৌরভের ছেলে শাদাব সৌরভসহ দুজনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই মহাসড়কে উত্তরমুখী হয়ে দ্রুতবেগে ছুটে আসা অপর গাড়িটি হঠাৎ করেই 'রং ওয়ে' বা ভুল পথে ঢুকে পড়লে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। ফলে দুর্ঘটনাস্থলেই সৌরভ ও তাঁর স্ত্রী সাফিনা এবং অপর গাড়ির চালক কার্লস লোপেজ মারা যান। কার্লসের গার্লফ্রেন্ড লরা অলভেরাকেও গুরুতর আহতাবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে তার বর্তমান অবস্থা জানা যায়নি। সৌরভ দীর্ঘদিন ধরে নিউ ইয়র্কের কুইন্সের এলমহার্স্টে বসবাস করতেন। পাঁচ ভাই তিন বোনের মধ্যে সৌরভ ছিলেন তৃতীয়। দুই ভাই ও এক বোন যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। তাঁদের দেশের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতি বলে জানান রুহেল।


মন্তব্য