মালয়েশিয়ায় কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্টেড) থাকা সত্ত্বেও অবৈধ সীমান্ত পথ ব্যবহার করে দেশটিতে প্রবেশের চেষ্টাকালে আট বাংলাদেশিসহ ১৩ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করেছে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) কেলান্তান সীমান্তের কাছে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে তারা ধরা পড়েন। কুয়ালালামপুর ও কেলান্তানের অভিবাসন বিভাগের গোয়েন্দা শাখা এবং মেরিন ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের যৌথ দল ভোর ৫টা ১০ মিনিটের দিকে কোতা বারু এলাকার দুটি ভিন্ন স্থানে এই ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের প্রথম স্থানে একটি বাস টার্মিনাল থেকে অভিবাসন কর্মকর্তারা প্রথমে আটজন বাংলাদেশি পুরুষকে আটক করেন। একই স্থান থেকে তিনজন ইন্দোনেশিয়ান পুরুষ এবং একজন নারীকেও আটক করা হয়।
পরবর্তীতে একটি আবাসিক এলাকায় দ্বিতীয় অভিযানে পালানোর চেষ্টাকালে এক মিয়ানমারের নাগরিক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়। আটককৃতদের বয়স ২২ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে।
এই অভিযানে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের যাতায়াতে সহায়তার অভিযোগে একটি ‘প্রোটন প্রিভে’ গাড়ি এবং আটটি পাসপোর্ট জব্দ করেছে দেশটির আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান (শুক্রবার) এক বিবৃতিতে জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে আটককৃতদের মধ্যে কয়েকজন আগে থেকেই মালয়েশিয়ায় প্রবেশের ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ বা কালো তালিকাভুক্ত ছিলেন।
ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের কঠোর নজরদারি এড়াতেই তারা এই দুর্গম ও অবৈধ পথ বেছে নিয়েছিলেন। বর্তমানে আটককৃতদের ইমিগ্রেশন আইনের ধারা ৬(১)(সি) এবং ১৫(১)(সি) এর অধীনে গ্রেপ্তার দেখিয়ে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের জন্য ইমিগ্রেশন অফিসে পাঠানো হয়েছে।
দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় অবৈধ অভিবাসী এবং মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে এই ধরনের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।




