kalerkantho

পূর্ণাঙ্গ বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট

বঙ্গবন্ধু মেডিক্যালের সঙ্গে কাজ করবে টাটা মেমোরিয়াল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) দ্রুত সময়ের মধ্যেই চালু হচ্ছে ব্লাড ক্যান্সারের রোগীদের জন্য বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্টের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম। গতকাল রবিবার এ লক্ষ্যে ভারতের টাটা মেমোরিয়াল সেন্টার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিএসএমএমইউর এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন বিএসএমএমইউর পক্ষে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ রফিকুল আলম, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল হান্নান এবং টাটা মেমোরিয়ালের পরিচালক (একাডেমিকস) অধ্যাপক এস বানাভালি ও প্যাথলজি বিভাগের অধ্যাপক সুমীত গুজরাল।

এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএসএমএমইউর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া। সভাপতিত্ব করেন বিএসএমএমইউর হেমাটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল আজিজ।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশের মতো দেশগুলোয় ২০১২ সালের তুলনায় ২০৩০ সালের মধ্যে রক্ত রোগের ক্যান্সার ৪৮ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। বাংলাদেশে প্রতিবছর ৮ থেকে ১০ হাজার ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগী পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসার অভাবে অকালে মৃত্যুবরণ করছে। প্রতিবছর নতুন করে রক্ত রোগের বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারে প্রায় এক হাজার ২০০ রোগী চিহ্নিত করা হয়। এসব রোগীর বেশির ভাগেরই বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্টের প্রয়োজন হয়। তবে এটা খুবই ব্যয়বহুল বিএমটির অটোলোগাস চিকিৎসায় দেশের বাইরে প্রায় ২০ লাখ টাকা এবং অ্যালোজেনিক চিকিৎসায় ৫০ লাখ থেকে কোটি টাকা ব্যয় হয়। এই সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী তিন মাস পর নিয়মিতভাবে অটোলোগাস এবং ছয় মাস পর অ্যালোজেনিক পদ্ধতির বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট চালু করা হবে। এখানে চিকিৎসা ব্যয় তুলনামূলকভাবে অনেক কম হবে।

অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হওয়ার ফলে দেশের ক্যান্সার রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বিশেষভাবে সহায়তা করবে। ক্যান্সার রোগীদের চিকিৎসার জন্য বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট অত্যন্ত জরুরি। এখন বিএসএমএমইউতে পূর্ণাঙ্গভাবে বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট চালু করা সম্ভব হবে। এ ছাড়া খরচও অনেক কমে আসবে আর রোগী অকালে মৃত্যুবরণ থেকে রক্ষা পাবে।

 

 

মন্তব্য