kalerkantho

২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট

সিগারেটের মূল্যস্তর কমানোর দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সিগারেটের ওপর বিদ্যমান চারটি মূল্যস্তর থেকে দুটি কমিয়ে আনার দাবি করেছে বেশ কয়েকটি তামাকবিরোধী সংগঠন। তারা বলেছে, বিদ্যমান ৩৫ ও ৪৮ টাকা এই দুটি মূল্যস্তরকে এক করে নিম্নস্তর করা যেতে পারে। আর ৭৫ ও ১০৫ টাকার মূল্যস্তরকে এক করে উচ্চস্তর করা যেতে পারে।

গতকাল শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আসন্ন ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে ‘কেমন তামাক কর চাই’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব প্রস্তাব তুলে ধরে তামাকবিরোধী সংগঠন প্রজ্ঞা ও অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স (আত্মা)। সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান ড. নাসির উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সিনিয়র রিসার্চ ফেলো নাজনীন আহমেদ প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে সব ক্ষেত্রে প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটে পাঁচ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়। এ ছাড়া বিড়ির মূল্য বিভাজন তুলে দিয়ে ফিল্টারবিহীন ২৫ শলাকা বিড়ির খুচরা মূল্য ৩৫ টাকা নির্ধারণ করে ৪৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক এবং ছয় টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপের সুপারিশ করা হয়। পাশাপাশি ফিল্টারযুক্ত ২০ শলাকা বিড়ির খুচরা মূল্য ২৮ টাকা নির্ধারণ করে ৪৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক এবং ৪.৮ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, ‘আমরা কয়েক বছর ধরেই তামাকপণ্যের করকাঠামো পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে আসছি। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরাও এ বিষয়ে একমত পোষণ করেন। কিন্তু বাস্তবে এর প্রতিফলন দেখা যায় না। আমরা আবারও দাবি জানাচ্ছি, তামাকের ক্ষতি থেকে মানুষকে রক্ষায় বাজেটে কার্যকরভাবে করারোপের মাধ্যমে মূল্য বৃদ্ধি করতে হবে।’

ড. নাসির উদ্দিন আহমেদ বলেন, তামাকপণ্যে করারোপের ক্ষেত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে রাজস্ব আহরণের চেয়ে জনস্বাস্থ্যকে বেশি অগ্রাধিকার দিতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, তামাকের হাত থেকে তরুণসমাজকে রক্ষার জন্য এর মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিতে হবে।

মন্তব্য