kalerkantho

শিক্ষামন্ত্রী বললেন ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি সরকারের ধারাবাহিক চেষ্টায়

চাঁদপুর প্রতিনিধি   

২৪ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সরকারের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ফলে ইলিশের উৎপাদন ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে ইলিশ বাংলাদেশি পণ্য হিসেবে বিশ্বে স্বীকৃতি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শনিবার দুপুরে চাঁদপুর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধিতে অভয়াশ্রমের প্রভাব, মজুদ নিরূপণ ও জাটকা সংরক্ষণে গবেষণা অগ্রগতি পর্যালোচনা শীর্ষক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

এ সময় ডা. দীপু মনি আরো বলেন, ‘কারেন্ট জালের উৎপাদন বন্ধ করতেই হবে। আমি বিশ্বাস করি, সর্বনাশা এই কারেন্ট জাল জেলেরা আর ব্যবহার করবেন না।’ মন্ত্রী বলেন, ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে নদীগুলো দখল ও দূষণমুক্ত এবং নব্যতা বজায় রাখার ব্যবস্থা করা অত্যন্ত জরুরি।

কর্মশালায় প্রধান বক্তা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে ইলিশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। তাই জাটকা রক্ষা করা সবারই দায়িত্ব ও কর্তব্য। কেউ যদি নিষিদ্ধ সময়ে এই জাটকা পরিবহন করে, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অবস্থায়ই জাটকা ধরা, পরিবহন ও বিপণন করতে দেওয়া হবে না। প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেকোনো মূল্যে জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষা করতে হবে।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রইসুল আলম মণ্ডল, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু সাঈদ মো. রাশেদুল হক, জেলা প্রশাসক মাজেদুর রহমান খান, নৌ পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার জমশের আলী প্রমুখ। কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আশরাফুল আলম। অন্যদের মধ্যে ইলিশ গবেষক ড. আনিছুর রহমান, ইলিশ জোরদারকরণ প্রকল্প পরিচালক আবুল বাশার প্রমুখ।

এতে মৎস্যজীবী, সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, মৎস্যবিজ্ঞানীসহ সমাজের বিভিন্নস্তরের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

 

 

মন্তব্য