kalerkantho

অনন্যা শীর্ষ দশ ২০১৮

সম্মাননা পেলেন ১০ নারী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সম্মাননা পেলেন ১০ নারী

জাতীয় জাদুঘরে অনন্যা আয়োজিত ‘শীর্ষদশ’ সম্মাননা অনুষ্ঠানে অতিথিদের সঙ্গে পুরস্কারপ্রাপ্তরা। ছবি : কালের কণ্ঠ

সমাজ ও চারপাশের নানা বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে নারী। বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাখছে অসামান্য সাফল্য। বৈষম্য, নির্যাতন, বাধাবিঘ্নের বিরুদ্ধে নারীর মানবিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে নিজেদের সক্ষমতা ও অগ্রগতিকে তুলে ধরছেন এমন ১০ নারীকে তাঁদের কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘অনন্যা শীর্ষ দশ ২০১৮’ পুরস্কার প্রদান করা হয়। গতকাল শনিবার জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে আয়োজিত অনাড়ম্বর এক অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয় এ সম্মাননা।

এবারের সম্মাননাপ্রাপ্ত বিশিষ্ট নারীরা হলেন ডা. সায়েবা আক্তার (চিকিৎসা), পারভীন মাহমুদ (ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন), শামসুন্নাহার (প্রশাসন), আফরোজা খান (উদ্যোক্তা), সোনা রানী রায় (কুটিরশিল্প), লাইলী বেগম (সাংবাদিকতা), নাজমুন নাহার (তারুণ্যের আইকন), সুইটি দাস চৌধুরী (নৃত্যশিল্পী), রুমানা আহমেদ (ক্রিকেট) ও ফাতেমা খাতুন (প্রযুক্তি)।

অনুষ্ঠানে কৃতী নারীদের দেওয়া হয় উত্তরীয়, ক্রেস্ট ও সনদপত্র। সম্মাননা তুলে দেন বিশিষ্ট অভিনেত্রী ও সংসদ সদস্য সুবর্ণা মুস্তাফা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী ইসমত আরা সাদেক এমপি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অনন্যার সম্পাদক ও প্রকাশক তাসমিমা হোসেন। কথাশিল্পী ঝর্ণা রহমানের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে সাধনার নৃত্যশিল্পী সুইটি দাস ও তাঁর দল মণিপুরি নৃত্য পরিবেশন করে। এরপর সম্মানিত ১০ জন নারীর ওপর নির্মিত তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। তবে বিশেষ কাজে অনুষ্ঠানে আসতে পারেননি ডা. সায়েবা আক্তার ও শামসুন্নাহার। তাঁদের পক্ষে পরিবারের সদস্যরা এ সম্মাননা পদক গ্রহণ করেন।

পাক্ষিক অনন্যা সম্পাদক তাসমিমা হোসেন বলেন, নারীদের প্রতি অনাচারের কথা নারীদেরই বলতে হবে। দাবি না তুললে, কথা না বললে সমাজ থেকে অন্ধকার দূর হবে না। 

ক্রিকেটার রুমানা আহমেদ বলেন, ‘নারী ও পুরুষ আমরা সমানভাবে এগিয়ে যেতে চাই। এশিয়া কাপ জয় করে দেখিয়ে দিয়েছি আমরা পুরুষ দলের চেয়ে এগিয়ে আছি।’

পারভীন মাহমুদ বলেন, ‘নারীর জন্য, দেশের যেকোনো উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে আমি কাজ করার চেষ্টা করেছি। আমি আগামী দিনেও কাজ করতে চাই।’

উদ্যোক্তা আফরোজা খান বলেন, ‘আমি দুপুরে অফিসে খাবার সাপ্লাই দিচ্ছি। এক-দেড় বছরের মধ্যে মানুষের বিপুল সাড়া পেয়েছি।’

নাজমুন নাহার বলেন, ‘আমি কৃতজ্ঞ সৃষ্টিকর্তার প্রতি। আমি ১২৫টি দেশ ঘুরেছি। স্বাধীনতার ৫০ বছরের মধ্যে বিশ্বের ২০০টি দেশ ভ্রমণের প্রত্যাশা রয়েছে।’

মণিপুরি নৃত্যশিল্পী সুইটি দাস চৌধুরী বলেন, ‘শিল্পীরা চর্চা করেন শিল্পকে ভালোবেসে। কোনো কিছু পাওয়ার আশায় নয়। সেই কাজের জন্য এ পুরস্কার পাওয়া আমার জন্য অনেক বড় সম্মান।’

 

মন্তব্য