kalerkantho

ছবির ঢাকা

লেকের সৌন্দর্যবর্ধন ও রক্ষণাবেক্ষণ করবে গুলশান সোসাইটি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লেকের সৌন্দর্যবর্ধন ও রক্ষণাবেক্ষণ করবে গুলশান সোসাইটি

বনানী-গুলশান-বারিধারা লেকের সৌন্দর্যবর্ধন ও রক্ষণাবেক্ষণে কাজ করবে গুলশান সোসাইটি। গুলশান-১ নম্বর থেকে নিকেতন এলাকা পর্যন্ত চলবে এই তৎপরতা। গতকাল সকালে লেকের দুই তীরে বৃক্ষরোপণ ও দেয়াল চিত্রণের মাধ্যমে সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। ছবি : মঞ্জুরুল করিম

বনানী-গুলশান-বারিধারা লেকের সৌন্দর্যবর্ধন ও রক্ষণাবেক্ষণে কাজ করবে গুলশান সোসাইটি। গুলশান-১ নম্বর থেকে নিকেতন এলাকা পর্যন্ত চলবে এই তৎপরতা। গতকাল শুক্রবার সকালে লেকের দুই তীরে বৃক্ষ রোপণ ও দেয়াল চিত্রণের মাধ্যমে সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) লেক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় বনানী-গুলশান-বারিধারা লেকের খননকাজ শেষ পর্যায়ে। লেকটির পানিও অনেকটা স্বচ্ছ হয়েছে। লেক পারের প্রকৃত সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে পাড় সংরক্ষণে কনক্রিটের বদলে লাগানো হবে লতা জাতীয় ঘাস।

লেকের সৌন্দর্যবর্ধন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য গুলশান সোসাইটির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে রাজউক। এর আওতায় লেক পারে গাছ লাগানো, দখলমুক্ত রাখা, লেকের পানি পরিষ্কার রাখা এবং ময়লা-আবর্জনামুক্ত রাখতে কাজ করবে গুলশান সোসাইটি। সৌন্দর্যবর্ধন কাজের ব্যয় নির্বাহে প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহের জন্য সোসাইটি এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে। এর আগে লেকের গুলশান অংশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয়েছে কয়েক দফা।

লেকে বর্জ্য না ফেলতে এলাকাবাসীকে সচেতন করেছে গুলশান সোসাইটি। লেকের পাড় থেকে হকার উচ্ছেদ করে লাগানো হয়েছে ফুলের গাছ। নিকেতন থেকে গুলশান-১ নম্বর পর্যন্ত লেকের পারে রোপণ করা হয়েছে লতা জাতীয় ঘাসের বীজ। একই সঙ্গে নিকেতন সেতুর উল্টোদিকে গুলশান-১ নম্বর এলাকায় লেক পারের দেয়ালে আঁকা হয়েছে চিত্র।

গুলশান সোসাইটির সভাপতি সাখাওয়াত আবু খায়ের মোহাম্মদ বলেন, ‘সোসাইটির সদস্যরা কাজ করতে চান। প্রাথমিকভাবে নিজেদের টাকা দিয়ে লেকের সৌন্দর্যবর্ধনে কাজ করা হয়েছে। এই লেক আমাদের সম্পদ। তাই এটি সংরক্ষণ ও সুন্দর রাখতে আমরাই কাজ করব। সোসাইটির সবাই মিলে কাজটি অব্যাহত রাখব।’

রাজউকের লেক উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক আমিনুল ইসলাম সুমন বলেন, ‘রাজউক শুধু কাজ করলে হবে না। কাজ শেষ করার পর এটি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব এলাকাবাসীর। এ জন্যই আমরা গুলশান সোসাইটির সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি সই করেছি। লেকের সৌন্দর্যবর্ধনে গুলশান সোসাইটি দারুণ কাজ করছে।’

মন্তব্য