kalerkantho

পেকুয়া

সুষ্ঠু নির্বাচনের আশাবাদ

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি   

২৩ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রচারণা শেষ হয়েছে গতকাল শুক্রবার মধ্যরাতে। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তিনজন, নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে তিনজন ও পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ছয়জনসহ ১২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ ক্ষেত্রে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থীসহ দলের দুজন বিদ্রোহী প্রার্থী সুষ্ঠু নির্বাচনের আশাবাদ জানিয়েছেন।

প্রচারণার শেষ মুহূর্তে এসে গত বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার মগনামা ইউনিয়নে জাহাঙ্গীর আলমের সমর্থনে নির্বাচনী সভার জন্য স্থাপিত মঞ্চ লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তদের গুলি ছোড়ার ঘটনায় পুরো পেকুয়াজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণে আর কোনো সংঘাত-সংঘর্ষ ছাড়াই গতকাল প্রচারণা শেষ হয়।

দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম বলেন, ‘নৌকা প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য পেকুয়ার মানুষ অধীর আগ্রহে রয়েছে। প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করলে সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব হবে।’

দলের বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমি প্রায় ২০ দিন ধরে মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়েছি। এ সময় তারা আমাকে ভোট দেওয়ার জন্য প্রতিজ্ঞা করেছে। মানুষের মধ্যে বিপুল উচ্ছ্বাস দেখেছি, আমার দোয়াত-কলম প্রতীকের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। তাদের একটাই কথা, চকরিয়ার মতো এখানেও প্রশাসন যাতে সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেয়।’

দলের আরেক বিদ্রোহী প্রার্থী আনারস প্রতীকের এস এম গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘চেয়ারম্যান পদে অন্য যে দুজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা থাকার পাশাপাশি নানা অভিযোগ রয়েছে। সে ক্ষেত্রে ক্লিন ইমেজের প্রার্থী হিসেবে ভোটাররা আমাকেই বেছে নেবে।’

পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুব-উল করিম বলেন, সরকার ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী পেকুয়ায় শতভাগ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেবে প্রশাসন। এরই মধ্যে জেলা প্রশাসক মহোদয় এ নিয়ে কঠোর বার্তা দিয়েছেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. বশির আহমদ বলেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য