kalerkantho

দাম কিছুটা কম ভ্যানের পণ্যে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দাম কিছুটা কম ভ্যানের পণ্যে

সেগুনবাগিচা কাঁচাবাজার থেকে ৩০-৩৫ গজ দূরে রাস্তার ধারে রিকশাভ্যানে করে প্রতিদিন পেঁয়াজ বিক্রি করেন হারুনুর রশিদ। শুধুই দেশি ও আমদানি করা পেঁয়াজ। কাঁচাবাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজের দাম ২৫-৩০ টাকা হলেও হারুন একই পেঁয়াজ বিক্রি করেন ২০-২৫ টাকা কেজি দরে।

রামপুরা মহানগর প্রজেক্টে ১ নম্বর রোডের পাশে ভ্যানে সবজি বিক্রি করেন সুমন মিয়া। গতকাল বৃহস্পতিবার প্রতি কেজি পেঁপে ২৫ টাকা, বরবটি ও ঢেঁড়স ৮০ টাকা এবং নতুন আসা সজনে ডাটা ১০০ টাকা দরে বিক্রি করছিলেন। সেখান থেকে মিনিট দুয়েক হেঁটে রামপুরা বাজারের দিকে গেলে প্রথমেই পড়ে ওয়াপদা রোডের ছোট্ট একটি বাজার। সবজির তিন-চারটি দোকান আছে সেখানে। দোকানগুলোতে প্রতি কেজি পেঁপে ৩০ টাকা, বরবটি ও ঢেঁড়স ৮৫-৯০ টাকা এবং সজনে ডাটা ১২০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা যায়। রিকশাভ্যানের চেয়ে দোকানে দাম বেশি হওয়ার কারণ জানতে চাইলে সবজি বিক্রেতা আনিচ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ভ্যান নিয়ে তো রাস্তায় নিয়ে যেখানে খুশি দাঁড়ানো যায়, ঘুরা যায়। কোনো ভাড়া দিতে হয় না। দোকানের ভাড়া দিতে হয়। পণ্য আনার খরচ আছে।’

হারুনুর রশিদ জানান, প্রতিদিন প্রয়োজনীয় পণ্য নিজের ভ্যানে করেই কারওয়ান বাজার থেকে নিয়ে যান। এর জন্য বাড়তি খরচ লাগে না। নির্দিষ্ট জায়গায় ভ্যান দাঁড় করিয়ে বিক্রি করলেও কখনো ক্রেতা না পেলে ভ্যান নিয়ে অন্যখানে চলে যান। এর জন্য আলাদা খরচ নেই।

রাজধানীর সেগুনবাগিচা, রামপুরা, বাড্ডাসহ কয়েকটি আবাসিক এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তার ধারে, গলিতে গলিতে রিকশাভ্যানে করে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা কখনো এক জায়গায় ভ্যান দাঁড় করিয়ে আবার কখনো ঘুরে ঘুরে পণ বিক্রি করছিলেন। বেশির ভাগ ভ্যানেই সাধারণ বাজারের চেয়ে সব পণ্যে ৫-১০ টাকা পর্যন্ত হেরফের হয় দামে। তবে কোনো কোনো বিক্রেতা বাজারের মতোই বেশি দামে পণ্য বিক্রি করেন বলেও জানা যায়।

মেরুল বাড্ডায় ভ্যান থেকে সবজি কিনছিলেন শাহিন সিদ্দিকী। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ভ্যান থেকে সবজি কিনলে দাম একটু কম পড়ে। তবে কখনো কখনো মানটা একটু খারাপ থাকে। তাই সব সময় কেনা হয় না। যখন ভালো পাই, তখন নিই।’

মন্তব্য