kalerkantho

২২৫ যুগ্ম জেলা জজের এসিআর সুপ্রিম কোর্টে নেই

এম বদি-উজ-জামান   

১৯ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভোলার যুগ্ম জেলা জজ মো. মহিউদ্দিন খান। তিনি তাঁর চাকরি জীবনের পুরোপুরি বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন (এসিআর) সুপ্রিম কোর্টে জমা দেননি। ২০১৪ সালের পুরো, ২০১৫ সালের আংশিক এবং ২০১৮ সালের সম্পূর্ণ এসিআর দাখিল করেননি। একইভাবে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত কর্মকর্তা মাকসুদুর রহমান ২০০৯ সালের সম্পূর্ণ, ২০১১ ও ২০১৫ সালের আংশিক এবং ২০১৭ ও ২০১৮ সালের সম্পূর্ণ এসিআর দাখিল করেননি। আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত মো. মামুন-অর-রশিদ ২০১৪ সালের পর কোনো এসিআর দাখিল করেননি।

শুধুই এই তিন কর্মকর্তা নন, সারা দেশে ৩৬২ জন যুগ্ম জেলা জজের মধ্যে ২২৫ জন যুগ্ম জেলা জজ ও সমমর্যাদার বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা তাঁদের পুরোপুরি (২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত) এসিআর সুপ্রিম কোর্টে  জমা দেননি। এ কারণে যুগ্ম জেলা জজ থেকে অতিরিক্ত জেলা জজ হিসেবে পদোন্নতির তালিকা প্রণয়নের কাজ আটকে গেছে।

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (প্রশাসন ও বিচার) মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান ভুঁইয়া সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এসিআর দ্রুত সুপ্রিম কোর্টে দাখিল করার জন্য নোটিশ দিয়েছেন।

প্রাপ্ত তথ্য মতে, আইন অনুযায়ী প্রত্যেক বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তার প্রতিবছরের এসিআর সুপ্রিম কোর্টের কাছে দাখিল করতে হয়। বিচারকদের পদোন্নতির বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের হাতে। এ জন্য সুপ্রিম কোর্টের একটি বাছাই কমিটি রয়েছে। এই কমিটি বিচারকদের এসিআর দেখে ও তাদের কাজের মূল্যায়ন করে তালিকা করার পর তা সুপ্রিম কোর্টের ফুলকোর্ট সভায় উপস্থাপন করা হয়। ফুলকোর্ট সভায় পদোন্নতির বিষয়টি নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। এ জন্য গ্রেডেশন তালিকা করা হয়। এ তালিকা থেকেই পর্যায়ক্রমে পদোন্নতি দেওয়া হয়।

মন্তব্য