kalerkantho

চকরিয়ায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সাঈদীর অভিযোগ

৪০ কেন্দ্র বাছাই করে নৌকায় সিলের প্রস্তুতি

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি   

১৮ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৯৯ কেন্দ্রের মধ্যে কমপক্ষে ৪০টি বাছাই করে ভোট কারচুপির প্রস্তুতি চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও আনারস প্রতীকের প্রার্থী ফজলুল করিম সাঈদী সরকার। আজ সোমবার এ ভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নৌকা প্রতীকের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন প্রিসাইডিং অফিসারদের মাধ্যমে এই ভোট কারচুপির নীলনকশা চূড়ান্ত করেছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।

ফজলুল করিম সাঈদী গতকাল রবিবার বিকেলে সাংবাদিকদের লিখিত অভিযোগে বলেন, এমপির প্রভাব খাটিয়ে নৌকার প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন তাঁদের পছন্দের লোকজনকে প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। মূলত প্রিসাইডিং অফিসারের হেফাজতে থাকবে ব্যালট পেপারগুলো। সেই গোপন কক্ষেই রাতে বা দিনের বেলায় প্রিসাইডিং অফিসার ব্যালটে সিল মেরে রেখে দেবেন। এরপর সেই ভোটও কাস্ট দেখিয়ে কেন্দ্রের মধ্যেই ফল পাল্টে ফেলার চক্রান্ত করা হয়েছে।

কোন কোন কেন্দ্রে এই কারচুপি করা হতে পারে সেসব কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসারদের তালিকা দিয়ে ফজলুল করিম সাঈদী বলেন, ‘আমি জানি নির্বাচন কমিশন এবং প্রশাসন এই নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নিয়েছে। কিন্তু প্রশাসনের অগোচরে এমপি, মেয়র ও দলীয় প্রার্থী গিয়াস প্রিসাইডিং অফিসারদের ভয়ভীতি ও চাপ প্রয়োগ করে ভোট কারচুপি করার চেষ্টা করবেন। বিষয়টি এরই মধ্যে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।

তবে কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন রবিবার দুপুরে পুলিশ কর্মকর্তাদের বলেছেন, কোনো অবস্থাতেই ভোট কারচুপির সুযোগ দেওয়া হবে না।

এ ব্যাপারে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. বশির আহমদ বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য করতে যা যা করা দরকার তার সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনে ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের কোনো অনিয়ম সহ্য করা হবে না।’

মন্তব্য