kalerkantho

জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০১৯

আজ থেকে জাটকা ইলিশ ধরা ও বিক্রি নিষিদ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আজ থেকে শুরু জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০১৯। প্রতিবছরের মতো এবারও এক সপ্তাহ জাটকা ইলিশ ধরা, পরিবহন, সংরক্ষণ ও বিক্রি বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। এ নিষেধাজ্ঞা থাকবে ২২ মার্চ পর্যন্ত।

গতকাল শুক্রবার মৎস অধিদপ্তরের অডিটরিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে মৎস ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু এ তথ্য জানান। ‘কোনো জাল ফেলব না, জাটকা ইলিশ ধরব না’—প্রতিপাদ্য নিয়ে এ সপ্তাহ পালন করা হচ্ছে। এ সময় মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রইছউল আমল মণ্ডল, অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, মৎস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু সাইদ মো. রাশেদুল হকসহ অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাটকার দৈর্ঘ্য হচ্ছে ২৫ সেন্টিমিটার বা ১০ ইঞ্চি। এই আকারের ইলিশ ধরা, পরিবহন, বিক্রি ও সংরক্ষণ সম্পূর্ণ রূপে নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবে। ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রজনন মৌসুমে মা ও জাটকা ইলিশ ধরা বন্ধ করা হয়। এতে ইলিশের উৎপাদন বাড়ছে, দামও মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ইলিশের উৎপাদন ছিল প্রায় তিন লাখ মেট্রিক টন। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে উৎপাদন ৫.১৭ লাখ মেট্রিক টনে পৌঁছেছে। ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য এই সপ্তাহে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো সংশ্লিষ্ট জেলায় নিয়মিত মনিটর করবে। ইলিশ বৃদ্ধির বড় অন্তরায় কারেন্ট জাল ও বেহুন্দি জাল যেন ফেলতে না পারে তা নজরদারির মধ্যে রাখা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘উৎপাদন আরো বাড়াতে পারলে আমরা রপ্তানি করতে পারব। বিভিন্ন দেশে ইলিশের চাহিদা রয়েছে।’

সহায়তা পাচ্ছে জেলেরা

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নিষেধাজ্ঞার সময়টাতে জেলেদের সরকারিভাবে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দুই লাখ ৪৮ হাজার ৬৭৪টি জেলে পরিবারকে ৪০ কেজি হারে খাদ্য দিতে ৩৯ হাজার ৭৮৮ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। নদীতীরবর্তী ১৩টি জেলার ৫১টি উপজেলায় ৪৭ হাজার ৪৮০ প্যাকেট শুকনো খাবারও বিতরণ করা হয়েছে তালিকাভুক্ত জেলেদের মধ্যে।

মন্তব্য