kalerkantho


পাকুন্দিয়ায় সন্ত্রাসী হামলা

হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন শাহজাহান, মামলা নিচ্ছে না পুলিশ

পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১৫ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০



হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন শাহজাহান, মামলা নিচ্ছে না পুলিশ

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত শাহজাহান। ছবি : কালের কণ্ঠ

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় শাহজাহান (৩৫) নামে এক ব্যক্তি পূর্বশত্রুতার জেরে সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত হয়ে আট দিন ধরে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন হাসপাতালে। হামলার ঘটনায় প্রভাবশালীদের চাপে থানা মামলা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ তাঁর পরিবারের।

আহত শাহজাহান উপজেলার বুরুদিয়া ইউনিয়নের কাগারচর গ্রামের মৃত ছয়েব আলীর ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ৬ মার্চ রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কাগারচর গ্রামের একটি বাড়িতে হিন্দু ধর্মীয় অনুষ্ঠান দেখা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন শাহজাহান। পথে খামা গ্রামে একটি ইটভাটার সামনে পূর্বশত্রুতার জেরে কাগারচরের মৃত জামের উদ্দিনের ছেলে শামসুর নেতৃত্বে সাত-আটজন সন্ত্রাসী শাহজাহানের ওপর সশস্ত্র হামলা চালায়। তারা তাঁকে বেধড়ক পিটিয়ে একটি হাত ও দুটি পা ভেঙে দেয়। পরে তাঁকে টেনেহিঁচড়ে শামসুর বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখে। রাতেই শাহজাহানের লোকজন বাড়িটিতে গিয়ে তাঁকে উদ্ধারের পর কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকায় তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান কর্তব্যরত চিকিৎসক। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন।

শাহজাহানের বড় ভাই নূরুল ইসলাম বলেন, ‘শাহজাহান নিরীহ। অন্যদিকে শামসু কুখ্যাত সন্ত্রাসী, মাদক পাচারকারী ও সব অপকর্মে জড়িত। এলাকায় ভয়ে তার বিরুদ্ধে কেউ কিছু বলতে সাহস পায় না। তিন দিন ধরে থানায় ঘুরছি। কিন্তু শামসুর বিরুদ্ধে মামলা নিচ্ছে না পুলিশ।’

আঙিয়াদি গ্রামের হাবিব মিয়া বলেন, ‘শামসু একজন সন্ত্রাসী। সে ইয়াবা কারবার করে লাখ লাখ টাকার মালিক হয়েছে। তার বিরুদ্ধে থানায় ও আদালতে অনেক মামলা রয়েছে। কয়েক দিন আগে ডিবি পুলিশ তাকে ধরতে আসে। শাহজাহান পুলিশকে খবর দিয়ে এনেছিল- এমন সন্দেহে শামসু তার গুণ্ডাবাহিনী দিয়ে শাহজাহানের ওপর আক্রমণ চালিয়ে হাত-পা ভেঙে দেয়। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পাকুন্দিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলমগীর হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে এলাকায় তদন্তে এসেছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’



মন্তব্য