kalerkantho


চকবাজার ট্র্যাজেডি

হাজীগঞ্জের সিদ্দিকের বাড়িতে মাতম, খোঁজ নেই ইসমাঈলের

হাজীগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি   

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



রাজধানীর চকবাজারে গত বুধবার রাতের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার গন্ধর্ব্যপুর উত্তর ইউনিয়নের কাজী মোহাম্মদ আবু বক্কর সিদ্দিক (২৮) মারা গেছেন। একই ঘটনায় একই এলাকার হাজি ইসমাঈল হোসেন (৭০) বুধবার রাত থেকে নিখোঁজ।

সিদ্দিক মোহাম্মদপুর গ্রামের কাজী আবুল হোসেনের ছেলে। হাজি ইসমাঈল পাশের আহম্মদপুর গ্রামের মৃত হাজি ইসহাকের ছেলে।

সিদ্দিক ও হাজি ইসমাঈলের এলাকাবাসী ও পরিবার জানায়, তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার বড় সিদ্দিক বেশ কয়েক বছর ধরে চকবাজারে ছোটখাটো ব্যবসা করছিলেন। আর হাজি ইসমাঈল ছোটবেলা থেকে চকবাজারে ব্যবসা করেন। সেখানে বড় ব্যবসায়ীদের একজন হয়েছেন বহু আগেই।

সিদ্দিকের বাবা আবুল হোসাইন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বুধবার রাতে টিভিতে খবর দেখে ছেলেকে ফোন দিলে ফোনটি বারবার বাজছিল। কিন্তু সে রিসিভ করেনি। একসময় ফোনটি বন্ধ হয়ে গেলে ঢাকায় আত্মীয়স্বজনকে সেখানে পাঠাই। বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সিদ্দিকের লাশ পাওয়া যায়। পরে বাড়ি থেকে লোকজন ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয় লাশ আনতে।’

হাজি ইসমাঈলের চাচাতো ভাই মো. আক্তার হোসেন (৪০) ও বাড়ির লোকজন জানায়, হাজি ইসমাঈল সপরিবারে ঢাকায় বসবাস করেন। তিনি বাড়িতে তেমন একটা আসতেন না। চকবাজারে আগুন লাগার খবর শুনে তারা বিভিন্নভাবে যোগাযোগ করেও গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত তাঁর অবস্থান জানতে পারেনি।

ইসমাঈলের প্রতিবেশী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন গতকাল রাতে বলেন, হাজি ইসমাঈলসহ দুজন গত বুধবার রাতে চকবাজারে ঘটনাস্থলের দিকে গিয়েছিলেন। পরে সঙ্গের জনের লাশ পাওয়া গেলেও হাজি ইসমাঈলকে পাওয়া যাচ্ছে না। 

গন্ধর্ব্যপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা যেটুকু জানি ইসমাঈল হাজি আর সিদ্দিক চকবাজার দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। সেখানে আমার ছেলেসহ এলাকার বেশ কয়েকজন গেছে। লাশ আনতে সব কিছু করা হবে।’



মন্তব্য