kalerkantho


মেয়রের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে মানববন্ধন

আরিফুল বললেন ‘চক্রান্ত’

সিলেট অফিস   

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে মানববন্ধন করেছেন এক ব্যবসায়ী। এ সময় গায়ে কাফনের কাপড় ও ফুলের মালা পরে প্রতীকী আত্মাহূতিও দিয়েছেন তিনি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মেয়র বলেছেন, সিলেট নগরের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত করতে একটি মহল এই চক্রান্ত করছে। নগরবাসীকে এসবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

গতকাল মঙ্গলবার সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে মানববন্ধন করেন সঞ্জয় রায় নামে এক ব্যবসায়ী। মানববন্ধনে নিজেকে দুর্নীতির শিকার দাবি করে তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘২০১৪ সালে সিলেট সিটি করপোরেশনে নগর ভবন নির্মাণের জন্য একটি ওয়ার্ক অর্ডার হয়। ১৬ কোটি আট লাখ টাকার ওয়ার্ক ওয়ার্ডারটি দেওয়া হয় মাহবুব ব্রাদার্স প্রাইভেট লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে। কাজের দায়িত্ব পেয়ে প্রতিষ্ঠানটি ২০১৪ সালের ২৩ নভেম্বর সম্পাতপা এন্টারপ্রাইজের প্রপ্রাইটর হিসেবে আমার সঙ্গে চুক্তি করে। আনুমানিক ৫ শতাংশ কাজ বাকি থাকা অবস্থায় চিকিৎসার জন্য ভারতে চলে যাই। সে সময় মেয়র মাহাবুব ব্রাদার্সকে জিম্মি করে দুই কোটি ৬৬ লাখ টাকার চূড়ান্ত বিল আমার অগোচরে রেখে আত্মসাৎ করেন। দুই বছর পর জামানতের এক কোটি ৫৮ লাখ টাকাও আত্মসাৎ করা হয়। টাকা দাবি করলে মেয়র আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার ভয় দেখান। এ সময় বাসায় আটকে রেখে ব্ল্যাংক চেকে জোরপূর্বক আমার স্বাক্ষর নেন।’

এ ঘটনার পর বিকেল সাড়ে ৪টায় সিলেট নগর ভবনে সংবাদ সম্মেলনে ডাকেন মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। সেখানে অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘আমি যখন জেলে ছিলাম তখন টেন্ডার হয়েছে, কাজও শেষ হয়েছে। কন্ট্রাক্টরের প্রাপ্য জামানতের টাকা দিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

মেয়র বলেন, ‘নগরে নতুন উদ্যমে উন্নয়নকাজ হচ্ছে। এসব যাদের সহ্য হচ্ছে না তারাই মানুষকে বিভ্রান্ত করতে এসব করছে। সঞ্জয় নামের কাউকে আমি চিনি না। তাঁর সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।’ জোরপূর্বক চেকে স্বাক্ষর নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের কিছু হয়নি।’ এ ঘটনায় নিজের মানহানি হয়েছে উল্লেখ করে মেয়র আরিফ বলেন, ‘পরিষদ নিয়ে বসে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্তে যাব।’



মন্তব্য