kalerkantho


অগ্রগতি সরকারের কাছে জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট

বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিকের নীতিমালা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



অগ্রগতি সরকারের কাছে জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট

দেশের সব বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ল্যাবরেটরিতে বিভিন্ন প্যাথলজি পরীক্ষার ফি ও সেবার মূল্যতালিকা টাঙানো এবং ফি নির্ধারণসংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নে আদালতের আদেশ কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে তার অগ্রগতি জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ৫ মার্চের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পরবর্তী আদেশের জন্য ৭ মার্চ দিন ধার্য করা হয়েছে।

বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল মঙ্গলবার এ আদেশ দেন। আদালতে সরকারের প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু। এ সময় রিট আবেদনকারী পক্ষে ছিলেন ড. বশির আহমেদ।

গতকাল আদেশের পর ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু বলেন, নীতিমালা প্রণয়নের জন্য ২০১৮ সালের ১ আগস্ট গঠিত পাঁচ সদস্যের কমিটির দায়িত্ব ছিল নীতিমালা প্রণয়ন করা। কিন্তু আজ পর্যন্ত তাদের কোনো কার্যক্রমের বিষয়ে কোনো প্রতিবেদন দাখিল করতে পারিনি। এ কারণে ওই কমিটি এখন পর্যন্ত কী কাজ করেছে তার কার্যবিবরণী দাখিলের জন্য আগামী ৫ মার্চ দিন ধার্য করেছেন আদালত। এরপর পরবর্তী আদেশের জন্য ৭ মার্চ তা আদালতে উপস্থাপন হবে। তিনি বলেন, সব ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা ক্লিনিকে প্যাথলজি পরীক্ষার মূল্যতালিকা টাঙানোর জন্য যে কমিটি গঠন করা হয় সে কমিটি আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি বৈঠকে বসবে। তখন এ বিষয়ে পুরোপুরি তথ্য জানা যাবে। তিনি বলেন, ‘এরই মধ্যে আমরা জানতে পেরেছি, ২৭টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ৯৪টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার মূল্যতালিকা টাঙিয়েছে।’ গত বছর ২৪ জুলাই হাইকোর্ট এক আদেশে সব বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ল্যাবরেটরিতে বিভিন্ন প্যাথলজি পরীক্ষার ফি ও সেবার মূল্যতালিকা এবং চিকিৎসকের চিকিৎসা ফি (মূল্যতালিকা) তালিকা প্রকাশ্য উন্মুক্ত স্থানে টাঙানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে নীতিমালা তৈরি করে তা বাস্তবায়নের জন্য একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এ নির্দেশের পর সরকার কমিটি গঠন করেছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো নীতিমালা করেনি। এমনকি মূল্যতালিকা টাঙানোর বিষয়ে আদালতে কোনো প্রতিবেদন দাখিল করেনি। এতে ১৭ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এ অবস্থায় হাইকোর্ট গতকাল আদেশ দেন।



মন্তব্য