kalerkantho


সবুজের কালো হাত...

বিআরটিএতে তদন্ত শুরু, কমিটি পুনর্গঠন হচ্ছে আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ—বিআরটিএর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে গতকাল রবিবার থেকেই। তবে তদন্তের জন্য গঠিত মন্ত্রণালয় ও বিআরটিএর কমিটির সমন্বয়ে আজ সোমবার কমিটি পুনর্গঠন করা হবে। পাশাপাশি এ নিয়ে তদন্তে নামতে যাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং দুদক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

কালের কণ্ঠে বিআরটিএর দুর্নীতির বিষয়ে গত বুধবার ‘সবুজের কালো হাত বিআরটিএতে’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশের পর সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং বিআরটিএ আলাদা দুটি কমিটি গঠন করেছিল। প্রতিবেদন প্রকাশের দিনই বিআরটিএর ভেতরে ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে দুর্নীতি তদন্তের জন্য বিআরটিএর সচিব আব্দুস সাত্তারকে প্রধান করে কমিটি করা হয়েছিল। এ ছাড়া সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ও দুই সদস্যের কমিটি গঠন করেছিল।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আনোয়ার হোসেন চৌধুরীকে প্রধান করে এবং উপসচিব ফারুক হোসেনকে নিয়ে করা মন্ত্রণালয়ের কমিটি গতকাল বিকেলে রাজধানীর বনানীতে বিআরটিএর প্রধান কার্যালয়ে যায়। তাঁরা প্রশাসন, প্রকৌশল শাখায় গিয়ে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করেন। সব শেষে বিআরটিএর চেয়ারম্যান মশিয়ার রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন।

গতকাল বিআরটিএ প্রধান কার্যালয়ে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ বৈঠকের কারণে বিআরটিএর কমিটি তদন্তকাজ করতে পারেনি। কমিটির প্রধান, বিআরটিএর সচিব আব্দুস সাত্তার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা এ বৈঠকের কারণে ব্যস্ত ছিলাম। তবে মন্ত্রণালয় থেকে তদন্ত কমিটি বিআরটিএতে এসেছিল।’  

জানা গেছে, কালের কণ্ঠ’র প্রতিবেদনে উল্লিখিত দালাল তাজুল ইসলাম সবুজ পলাতক রয়েছে। গত বছরের ১০ অক্টোবর দুপুরে বিআরটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ইকুরিয়া কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সবুজ। ওই সময় তিনি বিআরটিএ ইকুরিয়া কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক রফিকুল ইসলামের সঙ্গে সোফায় বসে সানন্দে জুস পান করছিলেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সবুজের হাতে ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনপত্র ও অন্যান্য সরঞ্জাম দেখতে পান। ওই সময় সবুজকে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।



মন্তব্য