kalerkantho


রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মানবাধিকারের ধ্বজাধারীদের চুনকালি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের নির্বাহী কমিটির নির্বাচিত সদস্য হিসেবে দেশে ও বিদেশে মানবাধিকার রক্ষার অঙ্গীকার তুলে ধরেছে বাংলাদেশ। গতকাল রবিবার ঢাকার একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশ ও মানবাধিকার’ শীর্ষক সেমিনারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্রসচিব, মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানসহ আলোচকরা এই অঙ্গীকার তুলে ধরেছেন। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মানবাধিকারের ধ্বজাধারী বিভিন্ন দেশের ব্যর্থতারও সমালোচনা করা হয়েছে।

২০১৭ সালের আগস্ট মাসে রোহিঙ্গা সংকট শুরুর পর গত ১৬-১৭ মাসেও মানবাধিকারের পক্ষে সোচ্চার বিশ্বসম্প্রদায় এ সমস্যার সমাধান করতে পারেনি। অন্যদিকে বাংলাদেশ ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে এখন নানামুখী চাপে আছে।

সংঘাতকালীন যৌন সহিংসতাবিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধি প্রমিলা প্যাটেন সেমিনারে বলেন, বাংলাদেশের কাঁধে রোহিঙ্গাদের বোঝা চেপেছে। অথচ এটি সমাধানের দায়িত্ব মিয়ানমারের। রোহিঙ্গা সংকটের মধ্যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নিতে না পারার বিষয়টিও উঠে এসেছে তাঁর বক্তব্যে।

মানবাধিকার নিয়ে কথা বলা বিশ্বনেতাদের প্রধানমন্ত্রী বাঁচিয়ে দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়ার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হওয়া উদ্‌যাপন করতে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ সারা বিশ্বের মধ্যে মানবাধিকারের উত্তম মডেল হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। মানবাধিকার নিশ্চিত করার জন্য মৌলিক বিষয় যেমন—অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান এ দেশে নিশ্চিত হয়েছে। সবচেয়ে বড় মানবাধিকার হলো অর্থনৈতিক উন্নয়ন। বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে অন্য অনেক দেশের চেয়ে অগ্রগামী অবস্থায় রয়েছে। এটিকে মানবাধিকারের দেশের মডেল হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।



মন্তব্য