kalerkantho


মুন্সীগঞ্জে মেঘনায় ট্রলারডুবি

ট্রলারের মালিক এক দিনের রিমান্ডে, উদ্ধারকাজ সমাপ্ত

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি   

২২ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



মুন্সীগঞ্জের মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় ট্রলারের মালিক জাকির দেওয়ানের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এদিকে টানা ছয় দিন মেঘনায় উদ্ধার অভিযান পরিচালনার পর সোমবার সন্ধ্যায় অভিযান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক সায়লা ফারজানা জানান, ছয় দিন উদ্ধার অভিযানে ট্রলারটি সন্ধান পাওয়া যায়নি। সে কারণে সার্বিক বিবেচনায় অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। তবে কোনো ক্লু পাওয়া গেলে আবার অভিযান শুরু করা হবে। উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়া উদ্ধারকারী জাহাজ ‘প্রত্যয়’ আজ সকালে নারায়ণগঞ্জে ফিরে আসবে। বিআইডাব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমোডর মো. মোজাম্মেল হক জানান, মেঘনায় ট্রলারডুবির উদ্ধার অভিযান সোমবার সন্ধ্যায় সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযান ব্যর্থ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, বেঁচে যাওয়া শ্রমিকরাও সঠিকভাবে স্থানটি দেখাতে পারছে না। এ ছাড়া মেঘনায় বালু উত্তোলনের কারণে নদীর তলদেশে বিশাল বিশাল গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। আর মাটির নৌকা ডুবে যাওয়ার পর তলদেশ থেকে চিহ্নিত করা কঠিন।

এদিকে সোমবার বিকেলে মুন্সীগঞ্জ আমলি আদালত-৫ ট্রলার মালিকের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ট্রলারডুবির ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আরশেদ আলী জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে পুলিশ সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করে। শুনানি শেষে আদালত এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রবিবার নারায়ণগঞ্জের পঞ্চবটি এলাকা থেকে ট্রলার মালিক জাকির দেওয়ানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

নিখোঁজই থেকে গেল ওরা ১৮ জন  : নিখোঁজ ১৮ জন হলো পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের মুণ্ডুমালা গ্রামের গোলাই প্রামাণিকের ছেলে সোলেমান হোসেন, জব্বার ফকিরের ছেলে আলিফ হোসেন ও মোস্তফা ফকির, গোলবার হোসেনের ছেলে নাজমুল হোসেন-১, আব্দুল মজিদের ছেলে জাহিদ হোসেন, নূর ইসলামের ছেলে মানিক হোসেন, ছায়দার আলীর ছেলে তুহিন হোসেন, আলতাব হোসেনের ছেলে নাজমুল হোসেন-২, দাসমরিচ গ্রামের মোশারফ হোসেনের ছেলে ওমর আলী ও মান্নাফ আলী, তোজিম মোল্লার ছেলে মোশারফ হোসেন, আয়ান প্রামাণিকের ছেলে ইসমাইল হোসেন, সমাজ আলীর ছেলে রুহুল আমিন, মাদারবাড়িয়া গ্রামের আজগর আলীর ছেলে আজাদ হোসেন, চণ্ডিপুর গ্রামের আমির খান ও আব্দুল লতিফের ছেলে হাচেন আলী, সিরাজ মিস্ত্রি ও রজব আলীর ছেলে শফিকুল।

 



মন্তব্য