kalerkantho


নাইকো দুর্নীতি মামলা

খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে আংশিক শুনানি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতেই গতকাল সোমবার আংশিক শুনানি হয়েছে নাইকো দুর্নীতি মামলায়। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান এই শুনানি গ্রহণ করেছেন। সেই সেঙ্গ আরো শুনানির জন্য আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

খালেদা জিয়াসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে গতকাল নাইকো দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য ছিল। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে খালেদা জিয়াকে হুইলচেয়ারে করে কারাগার থেকে হাজির করা হয় আদালতে। পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দীন রোডে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের একটি কক্ষে স্থাপিত অস্থায়ী এজলাসে এই মামলার শুনানি চলছে।

এই মামলার অন্য আসামি ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ গতকাল অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানি করেন নিজের পক্ষে। তিনি মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন। শুনানির একপর্যায়ে মওদুদ আহমদ তাঁর পক্ষে আরো শুনানি করার জন্য সময় চান। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করেন। অন্যদিকে আরেক আসামি শহিদুল হকের পক্ষে তাঁর আইনজীবী আংশিক শুনানি করে সময় চান। আদালত তাও মঞ্জুর করেন। পরে আদালত শুনানি মুলতবি করে নতুন তারিখ ধার্য করেন।

বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে খালেদা জিয়া গ্রেপ্তার হওয়ার পর ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় এ মামলাটি করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০০৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেয় দুদক। চার্জশিটভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, ঢাকা ক্লাবের সাবেক সভাপতি সেলিম ভূঁইয়া ও নাইকোর দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনটি গ্যাসক্ষেত্র পরিত্যক্ত দেখিয়ে কানাডীয় কম্পানি নাইকোর হাতে তুলে দেওয়ার মাধ্যমে আসামিরা রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার ক্ষতি করেছেন।

 

 



মন্তব্য