kalerkantho


ভোলায় সিঁদ কেটে গায়ে আগুন

বাঁচানো গেল না আংকুরাকেও

ভোলা প্রতিনিধি   

২১ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



ভোলার লালমোহনে সিঁদ কেটে ঘরে ঢুকে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে পুড়ে বোন ও মেয়ের মৃত্যুর পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন আংকুরা বেগমও (৩৮)। গতকাল রবিবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নিহত আংকুরার মামাতো ভাই স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘তরী ফাউন্ডেশন’ এর চেয়ারম্যান আমির হোসেন।

গত শুক্রবার গভীর রাতে লালমোহনের চরভূতা ইউনিয়নের খারাকান্দি গ্রামের আংকুরার ঘরে সিঁদ কেটে ঢুকে তাঁদের তিনজনের গায়ে আগুন লাগিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। একই বিছানায় তাঁর সঙ্গে ঘুমিয়েছিল তাঁর মেয়ে খাদিজা আক্তার (৮) ও বোন সুরমা বেগম। ঘটনার পরপরই মৃত্যু হয় সুরমার। আর বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন শনিবার দুপুরে মারা যায় শিশু খাদিজা। আংকুরাকে পাঠানো হয় ঢাকায়। তাঁর শরীরের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছিলেন শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের চিকিৎসকরা।

নিহত আংকুরা খারাকান্দি এলাকার সফিজলের স্ত্রী।

ঘটনার পর থেকে সুরমার স্বামী রফিকুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় তাঁকে সন্দেহ করা হচ্ছে। তিনি বোরহানউদ্দিন উপজেলার দেউলা গ্রামের ওসমান গণি ঢালীর ছেলে।

গতকাল লালমোহন থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। তবে মামলায় রফিকের নাম উল্লেখ করা হয়নি। অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ছয় মাস আগে সুরমার সঙ্গে রফিকের বিয়ে হয়। বিয়ের দুই মাস পর থেকে যৌতুকের জন্য তিনি সুরমাকে নির্যাতন করে আসছিলেন। একপর্যায়ে সম্প্রতি সুরমা বাবার বাড়ি চলে আসেন।



মন্তব্য