kalerkantho


গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নবিষয়ক সেমিনারে বক্তারা

হারিকেনের বদলে গ্রামে জ্বলে বৈদ্যুতিক বাতি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

২১ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



‘একসময় গ্রামে হারিকেনের আলো জ্বালিয়ে পড়তাম, এখন বৈদ্যুতিক বাতি জ্বলে। একটা জরুরি কাগজ ফটোকপি করতে যেখানে আগে জেলা শহরে যেতে হতো, এখন বাসার সামনে গেলেই পাই। গ্রামে বসেও প্রযুক্তির সহজলভ্যতায় রাখছি বিশ্বের খবরাখবর। এ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন এখন দৃশ্যমান। তবে চিকিৎসা ক্ষেত্রে আরো নজর দেওয়া উচিত।’ কথাগুলো বলছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও তরুণ কলামিস্ট আব্দুল রাউফ সাওমী। বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের আয়োজনে ‘এক দশকের উন্নয়ন : পরিপ্রেক্ষিত গ্রামীণ জনপদ’ শীর্ষক সেমিনারে গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নচিত্র এভাবেই তুলে ধরেন তরুণ এ কলামিস্ট। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন তরুণ লেখক নিজেদের দেখা এক দশকের উন্নয়নের কথা বলেন। গতকাল সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি। শুরুতে বিষয়ের ওপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনের সদস্যসচিব কলামিস্ট ড. মিল্টন বিশ্বাস।

প্রবন্ধে গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নচিত্র তুলে ধরা হয়। বলা হয়, দেশের ৮০ শতাংশ মানুষ গ্রামে বাস করে। অন্যরা বিদেশ অথবা শহরে থেকে নিজের পরিবারের জন্য অর্থের জোগান দিয়ে থাকে। গত এক দশকে গ্রামীণ যাতায়াতব্যবস্থা, শিল্প, কৃষিতে প্রযুক্তির ব্যবহার, বিদ্যুতায়ন, তথ্য-প্রযুক্তির উন্নয়ন, চিকিৎসাসেবায় আধুনিকায়ন, বিনা মূল্যে চিকিৎসা, নারীর অধিকারসহ বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০-এর কথা সেমিনারে বলা হয়। প্রবন্ধে কৃষির উন্নয়নকে গ্রামীণ উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রধান কৃতিত্ব দেওয়া হয়।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বাংলাদেশ কলামিস্ট ফোরামের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির আলোচনা করেন পরিকল্পনা কমিশনের সিনিয়র সচিব ও সদস্য অধ্যাপক ড. শামসুল আলম, এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক মাহফুজা খানম, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান চৌধুরী প্রমুখ।



মন্তব্য