kalerkantho


শেকৃবিতে হল বরাদ্দে গড়িমসি, ভোগান্তিতে ১২০০ শিক্ষার্থী

শাহাদত হোসেন, শেকৃবি   

১৬ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) নবাব সিরাজউদ্দৌলা হল ও কৃষকরত্ন শেখ হাসিনা হলের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণকাজ শেষ। বাকি কাজটুকু শেষ হলেই ওই দুই হলে ১২ শতাধিক শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা সম্ভব। এতে দুই-তিন বছর ধরে গণরুমে অবস্থান করার ভোগান্তি থেকে রক্ষা পাবে শিক্ষার্থীরা। কিন্তু ওই সামান্য কাজটুকু শেষ করার কার্যক্রম চলছে খুঁড়িয়ে। গা-ছাড়া ভাব প্রশাসনেও। শিক্ষার্থীদের মাঝে হল বরাদ্দে চলছে গড়িমসি। এ অবস্থায় দীর্ঘায়িত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি।

আবাসন সংকটের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-ছাত্র কেন্দ্রের (টিএসসি) নির্মাণাধীন ভবনে গত বছরের শুরু থেকেই শতাধিক শিক্ষার্থী অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অবস্থান করছে। এ বছর যোগ হয়েছে শতাধিক নবীন শিক্ষার্থী।

নবাব সিরাজউদ্দৌলা হলের এ-ব্লকে আটটি ও বি-ব্লকে পাঁচটি করে নতুন ফ্লোর নির্মাণ করা হয়েছে। ১৩টি ফ্লোরের প্রতিটিতে রয়েছে ১৪টি কক্ষ। প্রতিটি কক্ষে চারজন করে শিক্ষার্থীকে আবাসন সুবিধা দেওয়ার কথা রয়েছে। সে হিসাবে এই হলে ৭২৮ জন শিক্ষার্থী আবাসন সুবিধা পাবে। আর কৃষকরত্ন শেখ হাসিনা হলে নবনির্মিত পাঁচটি ফ্লোরে আবাসন সুবিধা পাবে ৪৮০ জন শিক্ষার্থী।

সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় সব কাজই শেষ হয়েছে। কিছু কক্ষে ধীরগতিতে চলছে টাইলস বসানোর কাজ। এখন শুধু খাট ও পড়ার টেবিলের ব্যবস্থা করলেই শিক্ষার্থীদের হলের কক্ষ হস্তান্তর করা যায়।

নবাব সিরাজউদ্দৌলা হলের প্রশাসনিক এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে কালের কণ্ঠকে বলেন, সব কাজ সম্পন্ন। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতাদের বিভিন্ন গ্রুপের মধ্যে সিট বণ্টন নিয়ে সমঝোতা না হওয়ায় খাট ও পড়ার টেবিলের ব্যবস্থা করা হয়নি। এটা করলে বিভিন্ন গ্রুপ সিট দখল করতে সংঘর্ষে লিপ্ত হতে পারে। প্রশাসন চাচ্ছে ছাত্রলীগের গ্রুপগুলো নিজেদের মধ্যে সমঝোতায় আসুক। আর তাহলে শান্তিপূর্ণভাবে সিট বণ্টন করা যাবে।

এ বিষয়ে ওই হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইছাক বলেন, ‘হলের নির্মাণ কাজ এখনো শেষ হয়নি। তাই শিক্ষার্থীদের মাঝে হল বরাদ্দ দেওয়া হয়নি।’

 



মন্তব্য