kalerkantho


ভোটে বিদেশি ৮ সাংবাদিক, ১৬৭ পর্যবেক্ষকের আবেদন

দেশে অনুমতি পেতে পারেন ২৬ হাজার

বিশেষ প্রতিনিধি   

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ৮১টি স্থানীয় সংস্থা ৩৪ হাজার ৬৭১ জন পর্যবেক্ষকের জন্য অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছে। কমিশন অনুমতি দিতে চাইছে ২৫ হাজার ৯২০ জনকে। বিদেশি পর্যবেক্ষক হিসেবে আবেদন করেছেন ১৬৭ জন; আটজন বিদেশি সাংবাদিকও আবেদন জানিয়েছেন। তাঁদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক্সটার্নাল পাবলিসিটি শাখার মাধ্যমে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে বলেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল শনিবার নির্বাচন কমিশনে অনুষ্ঠিত কমিশন বৈঠকে উত্থাপিত সভার কার্যপত্র থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে বৈঠকে অন্যান্য কমিশনার ছাড়াও নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ উপস্থিত ছিলেন। দেশি ও বিদেশি পর্যবেক্ষক ছাড়াও নির্বাচনের সিগনেচার টিউন, টিভিসি, বিদেশি ও স্থানীয় সাংবাদিক, বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের রাজনৈতিক দলের বক্তব্য প্রচার নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।

বৈঠকের কার্যপত্রে বলা হয়, নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ১১৮টি সংস্থার মধ্যে ৮১টি সংস্থা থেকে ৩৪ হাজার ৬৭১ জন পর্যবেক্ষকের জন্য আবেদন জানানো হয়েছে। কোনো কোনো আসনে অধিকসংখ্যক পর্যবেক্ষণের জন্য আবেদন করায় তা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। সারা দেশে কেন্দ্রীয়ভাবে ২৫ হাজার ৯২০ জন পর্যবেক্ষককে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। ৮১টি পর্যবেক্ষক সংস্থার মধ্যে ১৪টি পর্যবেক্ষক সংস্থার বিষয়ে একটি গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট রয়েছে বলেও কার্যপত্রে বলা হয়। এ ছাড়া একটি রাজনৈতিক দল থেকে চারটি সংস্থার বিষয়ে অভিযোগ করা হয়েছে।

কার্যপত্রে বলা হয়, কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকার সাংবাদিকদের অনুমোদন ও কার্ড নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে দেওয়া হয়। সব টেলিভিশন চ্যানেল, যেসব পত্রিকা বা সাপ্তাহিকের নাম পিআইডির মিডিয়া গাইড ও ডিএফপির বিজ্ঞাপনসংক্রান্ত তালিকা রয়েছে সেসব পত্রিকার সাংবাদিকদের তথ্যাদি যাচাই-বাছাই করে কার্ড  দেওয়া হয়। যেসব অনলাইন পোর্টালের অন্তত একজন সাংবাদিকের পিআইডি কার্ড রয়েছে তাঁদের নির্বাচন কমিশন থেকে কার্ড দেওয়া হয়। পিআইডি থেকে এই তালিকা সংগ্রহ করে তা মিলিয়ে দেখা হয়।

কার্যপত্রে আরো বলা হয়, কয়েক বছর ধরে অনলাইনের কোনো সাংবাদিককে পিআইডি কার্ড দেওয়া হচ্ছে না। ফলে অনেক পরিচিত অনলাইনের সাংবাদিকদেরও অনুমোদন দেওয়া যায় না। এতে খুবই সমস্যার সৃষ্টি হয়। এ ছাড়া ঢাকার বাইরে অনলাইন থাকলেও তাদের কাউকে পিআইডি থেকে কার্ড দেওয় হয় না।

 



মন্তব্য