kalerkantho


চার পর্যবেক্ষক সংস্থায় আপত্তি আ. লীগের

বিশেষ প্রতিনিধি   

১৩ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চারটি সংস্থাকে পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব না দেওয়ার দাবি জানিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত এই সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে দলটি বলেছে, ‘এরা যদি নির্বাচন পর্যবেক্ষণে থাকে, এদের যদি নিয়ন্ত্রণ করা না হয়, তবে বিপর্যয় ঘটতে পারে।’

গতকাল বুধবার বিকেলে আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল ইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এই দাবি জানায়।

পরে সাংবাদিকদের এইচ টি ইমাম বলেন, ‘নির্বাচন পর্যবেক্ষক হিসেবে দেশি ও বিদেশিরা কাজ করে। দেশীয় যে ১১৮টি পর্যবেক্ষক সংস্থা রয়েছে এদের মধ্যে চারটি সংস্থা একেবারেই দলীয়। এরা হলো ডেমোক্রেসি ওয়াচ, খান ফাউন্ডেশন, লাইট হাউস ও বাংলাদেশ মানবাধিকার সমন্বয় পরিষদ।’

এর মধ্যে ডেমোক্রেসি ওয়াচের প্রধান হচ্ছেন তালেয়া রেহমান। যিনি বিএনপির বড় নেতা ও সাংবাদিক-লেখক শফিক রেহমানের স্ত্রী। খান ফাউন্ডেশন চালান বিএনপি নেতা ড. মঈন খানের স্ত্রী। লাইট হাউসের পেছনে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত রয়েছেন তারেক রহমান। আর বাংলাদেশ মানবাধিকার সমন্বয় পরিষদের নেপথ্যে এখন রয়েছেন আদিলুর রহমান খান। যাঁর প্রতিষ্ঠান অধিকারের নিবন্ধন কয়েক দিন আগে ইসি বাতিল করেছে।

তিনি বলেন, ‘এসব সংস্থা যদি নির্বাচন পর্যবেক্ষণে থাকে, এদের যদি নিয়ন্ত্রণ করা না হয়, তবে বিপর্যয় ঘটতে পারে।’

বেশ কয়েকটি নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের আগেও অভিযোগ ছিল। ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোকে নিবন্ধন দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করলে ৩১৯টি সংস্থা এ বিষয়ে আবেদন করে। এর মধ্যে বাছাই করে নির্বাচন কমিশন ওই বছরের ১৩ নভেম্বর ১৩৮টি নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করে। তালিকার ২৪টি সংস্থার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে আওয়ামী লীগ-বিএনপি আপত্তি জানায় এবং সংস্থাগুলোকে নিবন্ধন না দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করে। আওয়ামী লীগ আপত্তি জানায় ২০টি সংস্থার বিরুদ্ধে।

 



মন্তব্য