kalerkantho


ঘটনা আধিপত্য বিস্তার নিয়ে

মামলা হয়েছে যৌন হয়রানির অভিযোগে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আধিপত্য বিস্তার ঘিরে গত বৃহস্পতিবার রাতে সংঘর্ষে আওয়ামী লীগের কর্মী নিহত হওয়ার ঘটনাটি যৌন হয়রানির জের বলে অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। স্থানীয় এমপি চাপ দিয়ে নিহত খোরশেদের স্ত্রী রোমানা বেগমকে মামলায় এই অভিযোগ করতে বাধ্য করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গন্ধবপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে স্কুলের ছাত্রীদের একই এলাকার বখাটে আনোয়ার আলীর ছেলে জুনায়েদ, ঈমান আলীর ছেলে তারেক ও ফয়েজ ভূইয়ার ছেলে বাবুল যৌন হয়রানি করে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করেন খোরশেদ আলম, রাতুল, নাসিম ও কামরুল মিয়া। এর জের ধরেই জুনায়েদ, তারেক, বাবুল, আলমগীর বাবু ওরফে বেয়াই বাবু, ইব্রাহিম, দেলোয়ার, আরমান মোল্লা, ইউসুফ দেওয়ান, মো. বাবু ওরফে ভাই বাবু, মাহমুদুল হাসান রনি, ইউসুফ প্রধান ও জাকির হোসেন অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে গন্ধবপুর সাইনবোর্ডের সামনে খোরশেদ, রাতুল, নাসিম ও কামরুলের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। একপর্যায়ে তাঁদের এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। গুরুতর আহত অবস্থায় খোরশেদ ও রাতুলকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত শুক্রবার ভোরে খোরশেদ আলম মারা যান। প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতদের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, এলাকার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সংঘর্ষে খোরশেদ আলম মারা গেলেও যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেছেন তাঁর স্ত্রী রোমানা বেগম। ওই ঘটনার পেছনে মূল দ্বন্দ্ব এলাকার বালু হাবিব ও তাঁর ভাই আজাবুর রহমানের সঙ্গে স্থানীয় কমিশনার হোসেন আহম্মেদ রাজিব ও তাঁর ভাই রাতুলের। আজাবুর ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে খোরশেদ আলমকে এলোপাতাড়ি কোপান।



মন্তব্য