kalerkantho


র‌্যাবের সঙ্গে গোলাগুলি

কক্সবাজারে মাদক কারবারিসহ নিহত ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার ও টেকনাফ প্রতিনিধি   

২১ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



কক্সবাজারের টেকনাফ ও কুতুবদিয়া দ্বীপে র‌্যাবের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনায় দুজন মাদক কারবারি ও একজন জলদস্যু নিহত হয়েছে। দুটি ঘটনাই গতকাল মঙ্গলবার ভোরের।  এর মধ্যে টেকনাফে মাদক কারবারি আশিক জাহাঙ্গীর ও আরিফ হোসেন এবং কুতুবদিয়ায় দিদারুল ইসলাম নিহত হন। জাহাঙ্গীর ময়মনসিংহ সদরের কোতোয়ালিপাড়ার আবু করিমের ছেলে এবং আরিফ নারায়ণগঞ্জ জেলার বড় মসজিদ এলাকার আবদুল বারেকের ছেলে বলে জানা গেছে। দুটি ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে অস্ত্র ও গুলি।

র‌্যাব-৭ ইনচার্জ লেফটেন্যান্ট মির্জা শাহেদ মাহতাব বলেন, মাদক কারবারিরা ট্রাকে করে ইয়াবার চালান পাচার করছিল। র‌্যাবের সঙ্গে গোলাগুলিতে তারা নিহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে এক লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, দুটি দেশে তৈরি অস্ত্র ও আট রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয় এবং ইয়াবা পাচারের কাজে ব্যবহৃত ট্রাকটিও জব্দ করা হয়।

টেকনাফস্থ র‌্যাব-৭ সূত্র জানায়, কক্সবাজারগামী একটি ট্রাক টেকনাফ কেরুনতলী র‌্যাব চেকপোস্টের সামনে থামানো হয়। র‌্যাব সদস্যরা তল্লাশি করতে চাইলে গাড়িতে থাকা মাদক কারবারিরা র‌্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। র‌্যাবও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালালে ঘটনাস্থলে ওই দুই মাদক কারবারি নিহত হয়।

অন্যদিকে র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের কম্পানি অধিনায়ক মেজর মেহেদী হাসান জানান, দ্বীপের বড়ঘোপ ইউনিয়নের মধ্য আমজাখালী এলাকায় সোমবার দিবাগত রাতে সাগরে জলদস্যুতার প্রস্তুতি নিচ্ছিল কিছু জলদস্যু। র‌্যাব অভিযানে গেলে জলদস্যুরা টের পেয়ে র‌্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে। জলদস্যুরা পালিয়ে যাওয়ার পর একজনের লাশ পাওয়া যায়। এ সময় ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পাওয়া যায় সাতটি দেশে তৈরি বন্দুক, ২০ রাউন্ড গুলি ও ৯টি গুলির খালি খোসা।

মেজর মেহেদী হাসান জানান, নিহত দিদারুল ইসলাম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত চিহ্নিত জলদস্যু। সে একটি বাহিনী গঠন করে কুতুবদিয়া দ্বীপ ও সাগরে জলদস্যুতা সংঘটন করত। তার নামে কুতুবদিয়া ও মহেশখালী থানায় ১৩টি মামলা রয়েছে।



মন্তব্য