kalerkantho


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মশালায় তথ্য

ঢাকায় উদ্বেগ বাড়াচ্ছে এইচআইভি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



বৈশ্বিক পরিসংখ্যানের হিসাবে বাংলাদেশে এইচআইভি-এইডসের বিস্তার মোট জনসংখ্যা অনুপাতে ০.০১ শতাংশের নিচে। যা তেমন উদ্বেগজনক নয়। তবে শুধু ঢাকার হিসাবে দিনে দিনে তা উদ্বেগের বড় কারণ হয়ে উঠছে। বিশেষ করে ঢাকায় শিরায় মাদকসেবীদের মধ্যে এইচআইভিতে আক্রান্তের হার ২২ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। বিভিন্ন উদ্যোগও তা প্রত্যাশিত হারে কমিয়ে আনতে পারছে না।

গতকাল রবিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পুরনো ভবন মিলনায়তনে এইচআইভি-এইডস বিষয়ে এক কর্মশালায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। সেই সঙ্গে এইচআইভি-এইডস সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর ব্যাপারেও কর্মশালায় তাগিদ দেওয়া হয়।

কর্মশালায় উপস্থাপিত তথ্য-উপাত্ত অনুসারে দেশে বর্তমানে এইচআইভিতে আক্রান্তের সংখ্যা আনুমানিক ১৩ হাজার। আর নিশ্চিত এইডসে আক্রান্তের সংখ্যা পাঁচ হাজার ৫৮৬ জন। এর মধ্যে শিশুর সংখ্যা প্রায় ৩০০। এইডসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৯২৫ জন।

কর্মশালায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইন-ডিরেক্টর (টিবি, ল্যাপ্রোসি এবং এএসপি) অধ্যাপক ডা. সামিউল ইসলাম সাদী জানান, নানা সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়েই দেশে এইচআইভি-এইডস নিয়ন্ত্রণে রাখতে অনেক ধরনের কর্মসূচি চালানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে এর সুফলও মিলতে শুরু করেছে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা ২০২০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা অনুসারে ৯০-৯০-৯০ সূত্র পূরণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। এ ক্ষেত্রে দেশে থাকা এইচআইভিতে আক্রান্ত মানুষের কমপক্ষে ৯০ শতাংশকে খুঁজে বের করে অন্তত ৯০ শতাংশকে চিকিৎসার আওতায় আনা হবে। আবার যারা চিকিৎসার আওতায় আসবে তাদের মধ্য থেকে কমপক্ষে ৯০ শতাংশকে তুলনামূলক সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনে টিকিয়ে রাখার অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হবে।’

এইচআইভি-এইডস কার্যক্রমের সিনিয়র ম্যানেজার ডা. আক্তারুজ্জামান তাঁর উপস্থাপিত তথ্যে জানান, মিয়ানমার থেকে নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর এখন পর্যন্ত ২৭৩ জনকে এইচআইভি পজিটিভ বলে শনাক্ত করা হয়েছে।



মন্তব্য